২০/৭১. অধ্যায়ঃ
কঙ্কর নিক্ষেপ করা
জামরায় তাকবীর, হামদ ও দোয়ার সুন্দর আমল
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ৯০৬
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ৯০৬
و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ نَافِعٍ أَنَّ عَبْدَ اللهِ بْنَ عُمَرَ كَانَ يَقِفُ عِنْدَ الْجَمْرَتَيْنِ الْأُولَيَيْنِ وُقُوفًا طَوِيلًا يُكَبِّرُ اللهَ وَيُسَبِّحُهُ وَيَحْمَدُهُ وَيَدْعُو اللهَ وَلَا يَقِفُ عِنْدَ جَمْرَةِ الْعَقَبَةِ.
নাফি’ (র) হতে বর্ণিতঃ
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) দীর্ঘক্ষণ জামরা-ই-উলা এবং জামরা-ই-বুসতার নিকট দাঁড়িয়ে থাকতেন। তাকবীর-এ-তাশরীক ও হাম্দ পড়তেন এবং দু’আ করতে থাকতেন। জামরা-ই-আকাবা শেষ কঙ্কর নিক্ষেপের কাছে তিনি দাঁড়াতেন না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৯০৬-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা)-এর কঙ্কর নিক্ষেপের পরের আমল বর্ণিত হয়েছে। তিনি জামরা-ই-উলা ও জামরা-ই-বুসতার কাছে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়াতেন। সেখানে আল্লাহর তাকবীর বলতেন, তাসবিহ পড়তেন, হামদ করতেন এবং আল্লাহর কাছে দোয়া করতেন। কিন্তু জামরা-ই-আকাবার কাছে তিনি দাঁড়াতেন না। এই পার্থক্যটি হাদিসের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তাই ব্যাখ্যায় প্রথম দুই জামরার আমল এবং শেষ জামরার আমল এক করে বলা যাবে না। হাদিসটি আমাদের শেখায়, কঙ্কর নিক্ষেপ শুধু একটি কাজ নয়; এর সঙ্গে আল্লাহর স্মরণ, প্রশংসা ও দোয়ার আমলও যুক্ত। যারা কঙ্কর নিক্ষেপের দোয়া, জামরার তাকবীর এবং হজ্জে দোয়ার আমল জানতে চান, তাদের জন্য এই বর্ণনা খুব পরিষ্কার।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- প্রথম দুই জামরার কাছে তাকবীর, তাসবিহ, হামদ ও দোয়ার আমল এসেছে।
- জামরা আকাবার কাছে না দাঁড়ানোর বিষয়টি আলাদা করে জানা দরকার।
- হজ্জের আমলে আল্লাহর স্মরণকে গুরুত্ব দেওয়া উচিত।
- সাহাবিদের আমল থেকে রমীর আদব বোঝা যায়।
