২০/৭১. অধ্যায়ঃ
কঙ্কর নিক্ষেপ করা
প্রথম দুই জামরার কাছে দীর্ঘ দোয়ার আমল
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ৯০৫
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ৯০৫
حَدَّثَنِي يَحْيَى عَنْ مَالِك أَنَّهُ بَلَغَهُ أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ كَانَ يَقِفُ عِنْد الْجَمْرَتَيْنِ الْأُولَيَيْنِ وُقُوفًا طَوِيلًا حَتَّى يَمَلَّ الْقَائِمُ.
মালিক (র) হতে বর্ণিতঃ
জামরা-ই-উলার (প্রথম কঙ্কর নিক্ষেপের স্থান) ও জামরা-ই-বুস্তার (মধ্যবর্তী কঙ্কর নিক্ষেপের স্থান) নিকট উমার (রা) (দু’আর জন্য) এতক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকতেন যে, দণ্ডায়মান অন্য লোকজন বিরক্ত হয়ে যেত। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৯০৫-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে উমার ইবনু খাত্তাব (রা)-এর একটি আমল উল্লেখ করা হয়েছে। তিনি জামরা-ই-উলা এবং জামরা-ই-বুসতার কাছে দোয়ার জন্য এত দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে থাকতেন যে, দাঁড়িয়ে থাকা অন্য লোকজন বিরক্ত হয়ে যেত। মূল বিষয় হলো কঙ্কর নিক্ষেপের পর দোয়া এবং জামরার কাছে দাঁড়ানোর আমল। হাদিসে শুধু প্রথম ও মধ্যবর্তী জামরার কথা এসেছে। জামরা আকাবার কথা এখানে বলা হয়নি। তাই ব্যাখ্যায় তিনটি জামরার জন্য একই নিয়ম বলে দেওয়া ঠিক হবে না। এই বর্ণনা থেকে বোঝা যায়, উমার (রা) দোয়ার সময়কে গুরুত্ব দিতেন এবং তাড়াহুড়া করতেন না। যারা জামরায় দোয়া, রমী করার আমল এবং হজ্জের দোয়ার জায়গা জানতে চান, তাদের জন্য এই হাদিস গুরুত্বপূর্ণ।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- প্রথম দুই জামরার কাছে দোয়ার আমল সাহাবিদের কাছ থেকে পাওয়া যায়।
- ইবাদতে তাড়াহুড়া না করে মনোযোগ দেওয়া ভালো।
- হজ্জের প্রতিটি ধাপে আল্লাহর কাছে দোয়া করার সুযোগ আছে।
- যে জায়গার কথা হাদিসে এসেছে, ব্যাখ্যাতেও সেটি আলাদা করে বলা দরকার।
