২০/৬৪. অধ্যায়ঃ

আট তারিখে মিনাতে নামায পড়া, মিনা এবং আরাফাতে জুম’আর নামায পড়া

মিনা থেকে আরাফাতের পথে নামাজ ও যাত্রার শিক্ষা

মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ৮৮৯

حَدَّثَنِي يَحْيَى عَنْ مَالِك عَنْ نَافِعٍ أَنَّ عَبْدَ اللهِ بْنَ عُمَرَ كَانَ يُصَلِّي الظُّهْرَ وَالْعَصْرَ وَالْمَغْرِبَ وَالْعِشَاءَ وَالصُّبْحَ بِمِنًى ثُمَّ يَغْدُو إِذَا طَلَعَتْ الشَّمْسُ إِلَى عَرَفَةَ ১৪৯৬-قَالَ مَالِك وَالْأَمْرُ الَّذِي لَا اخْتِلَافَ فِيهِ عِنْدَنَا أَنَّ الْإِمَامَ لَا يَجْهَرُ بِالْقُرْآنِ فِي الظُّهْرِ يَوْمَ عَرَفَةَ وَأَنَّهُ يَخْطُبُ النَّاسَ يَوْمَ عَرَفَةَ وَأَنَّ الصَّلَاةَ يَوْمَ عَرَفَةَ إِنَّمَا هِيَ ظُهْرٌ وَإِنْ وَافَقَتْ الْجُمُعَةَ فَإِنَّمَا هِيَ ظُهْرٌ وَلَكِنَّهَا قَصُرَتْ مِنْ أَجْلِ السَّفَر قَالَ مَالِك فِي إِمَامِ الْحَاجِّ إِذَا وَافَقَ يَوْمُ الْجُمُعَةِ يَوْمَ عَرَفَةَ أَوْ يَوْمَ النَّحْرِ أَوْ بَعْضَ أَيَّامِ التَّشْرِيقِ إِنَّهُ لَا يُجَمِّعُ فِي شَيْءٍ مِنْ تِلْكَ الْأَيَّامِ ِِِِ.

নাফি’ (র) হতে বর্ণিতঃ

আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) যুহর, আসর, মাগরিব, ইশা এবং ফজরের নামায মিনা ময়দানে পড়তেন এবং সকালে সূর্যোদয়ের পর আরাফাতের দিকে যাত্রা করতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)মালিক (র) বলেন, আমাদের নিকট সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত হল, আরাফাত দিবসে ইমাম যুহরের নামাযে ‘কিরাআত’ জোরে পড়বেন না। হ্যাঁ, আরাফাতের দিন খুতবা দিবেন। মূলত আরাফাতের নামায যুহরেরই নামায। তবে সফরের কারণে উহা কসর বা সংক্ষিপ্ত করে দেয়া হয়েছে। [১]মালিক (র) বলেন, ইয়াওমে-আরাফা বা ইয়াওমুননাহার বা আইয়্যামে তাশরীকের দিন যদি জুম’আর দিন হয় তবে ঐ সমস্ত দিনে ইমামুল-হজ্জ জুম’আর নামায পড়াবেন না।

[১] মক্কার অধিবাসী হোক বা অন্য কোন স্থানের অধিবাসী, সকলকেই ঐ দিন কসর আদায় করতে হবে। তবে মিনা বা আরাফাতের স্থায়ী অধিবাসী হলে সে কসর আদায় করবে না।

মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৮৮৯-এর সারসংক্ষেপ

এই বর্ণনায় আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা)-এর আমল এসেছে। তিনি যুহর, আসর, মাগরিব, ইশা ও ফজরের নামাজ মিনায় আদায় করতেন। এরপর সকালে সূর্য ওঠার পর আরাফাতের দিকে যাত্রা করতেন। ইমাম মালিক (র) বলেন, আরাফাত দিবসে ইমাম যুহরের নামাজে কিরাআত জোরে পড়বেন না, তবে খুতবা দেবেন। তিনি আরও বলেন, আরাফাতের নামাজ মূলত যুহরের নামাজ; সফরের কারণে তা কসর করা হয়েছে। যদি আরাফার দিন, ইয়াওমুন নাহার বা আইয়্যামে তাশরীকের দিন জুমার দিন হয়, তবে ইমামুল হজ্জ সেই দিনে জুমা পড়াবেন না। এই বর্ণনায় হজ্জের দিনগুলোর নামাজ, যাত্রা ও খুতবার নিয়ম একত্রে এসেছে।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • ইবনু উমার (রা) মিনায় পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করে সূর্যোদয়ের পর আরাফাতে যেতেন।
  • আরাফাত দিবসে খুতবার কথা এসেছে, তবে যুহরের কিরাআত জোরে নয়।
  • আরাফাতের নামাজ সফরের কারণে কসর করা হয়েছে বলে ইমাম মালিক (র) বলেছেন।
  • হজ্জের বিশেষ দিনে ইমামুল হজ্জ জুমা পড়াবেন না বলে বক্তব্য এসেছে।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন