২০/৩৯. অধ্যায়ঃ
বিদায়ী তাওয়াফ
তাওয়াফুল বিদা: মক্কা ছাড়ার আগে শেষ তাওয়াফের গুরুত্ব
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ৮১৫
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ৮১৫
و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ رَدَّ رَجُلًا مِنْ مَرِّ الظَّهْرَانِ لَمْ يَكُنْ وَدَّعَ الْبَيْتَ حَتَّى وَدَّعَ.
ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ (র) হতে বর্ণিতঃ
উমার ইবনু খাত্তাব (রা) এক ব্যক্তিকে মাররুয-যাহরান (মক্কা শরীফ হতে ১৮ মাইল দূরে অবস্থিত একটি স্থান) হতে ফিরিয়ে দিয়েছিলেন। কারণ সে ‘তাওয়াফুল বিদা’ করে আসেনি। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৮১৫-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় এসেছে, উমার ইবনু খাত্তাব (রা) এক ব্যক্তিকে মাররুয-যাহরান থেকে ফিরিয়ে দেন, কারণ সে তাওয়াফুল বিদা করে আসেনি। ঘটনাটি খুব সংক্ষিপ্ত, কিন্তু এর বার্তা পরিষ্কার। বিদায়ী তাওয়াফকে তিনি এত গুরুত্ব দিয়েছেন যে, কাছাকাছি জায়গায় পৌঁছানোর পরও ওই ব্যক্তিকে ফিরে গিয়ে বায়তুল্লাহকে বিদায় জানাতে বলেছেন। এখানে তাওয়াফুল বিদা বা বিদায়ী তাওয়াফের গুরুত্ব বোঝা যায়। তবে বর্ণনায় যেটুকু আছে, সেটুকুই বলা উচিত—কোনো দীর্ঘ ফিকহি সিদ্ধান্ত এখানে নিজের থেকে যোগ করা ঠিক নয়। এই হাদিস হাজীকে স্মরণ করিয়ে দেয়: হজের কাজ শেষ করে মক্কা ছাড়ার আগে বায়তুল্লাহর সঙ্গে শেষ আমলটি অবহেলা করা উচিত নয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- বিদায়ী তাওয়াফ না করলে উমার (রা) একজনকে ফিরিয়ে দিয়েছিলেন।
- তাওয়াফুল বিদা মক্কা ছাড়ার আগে গুরুত্বপূর্ণ আমল হিসেবে এসেছে।
- কাছাকাছি অবস্থায় ভুল সংশোধনের চেষ্টা করা শিক্ষণীয়।
- হজের শেষ কাজ অবহেলা না করার শিক্ষা পাওয়া যায়।
