২০/৩৪. অধ্যায়ঃ

তাওয়াফের সময় রমল করা (কিছুটা দ্রুত হাঁটা)

মক্কা থেকে ইহরাম: তাওয়াফ, সায়ী ও রমল নিয়ে ইবনু উমার (রা)-এর আমল

মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ৮০৫

و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ نَافِعٍ أَنَّ عَبْدَ اللهِ بْنَ عُمَرَ كَانَ إِذَا أَحْرَمَ مِنْ مَكَّةَ لَمْ يَطُفْ بِالْبَيْتِ وَلَا بَيْنَ الصَّفَا وَالْمَرْوَةِ حَتَّى يَرْجِعَ مِنْ مِنًى وَكَانَ لَا يَرْمُلُ إِذَا طَافَ حَوْلَ الْبَيْتِ إِذَا أَحْرَمَ مِنْ مَكَّةَ.

নাফি’ (র) হতে বর্ণিতঃ

আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) যখন মক্কা হতে ইহরাম বাঁধতেন তখন মীনা হতে ফিরে না আসা পর্যন্ত বায়তুল্লাহর তাওয়াফ ও সাফা-মারওয়ার সায়ী করতেন না, রমলও করতেন না। [১] (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

[১] মক্কার বাহিরের অধিবাসী ব্যক্তি মক্কা হতে ইহরাম বাঁধলে তাকে ‘রমল’ করতে হয় না।

মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৮০৫-এর সারসংক্ষেপ

এই বর্ণনায় নাফি (র) জানান, আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) যখন মক্কা থেকে ইহরাম বাঁধতেন, তখন মীনা থেকে ফিরে আসার আগে বায়তুল্লাহর তাওয়াফ করতেন না। তিনি সাফা-মারওয়ার সায়ীও করতেন না এবং মক্কা থেকে ইহরাম বাঁধা অবস্থার তাওয়াফে রমলও করতেন না। তাই এ হাদিসের মূল কথা হলো: সব অবস্থায় একইভাবে তাওয়াফ, সায়ী ও রমল করা হয় না। যে পরিস্থিতি বর্ণনায় এসেছে, সেটি মক্কা থেকে ইহরাম বাঁধার সঙ্গে সম্পর্কিত। এখানে হজের আমলকে নিজের সুবিধামতো আগে-পরে করার কথা বলা হয়নি; বরং ইবনু উমার (রা)-এর নির্দিষ্ট আমল তুলে ধরা হয়েছে। তাওয়াফের নিয়ম বুঝতে এই ধরনের সূক্ষ্ম পার্থক্য খুব গুরুত্বপূর্ণ।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • মক্কা থেকে ইহরাম বাঁধার ক্ষেত্রে ইবনু উমার (রা)-এর আলাদা আমল বর্ণিত হয়েছে।
  • মীনা থেকে ফেরার আগে তিনি তাওয়াফ ও সায়ী করতেন না।
  • এই অবস্থায় তাওয়াফ করলে তিনি রমল করতেন না বলে বর্ণনায় এসেছে।
  • হজের আমলে পরিস্থিতি বুঝে বর্ণিত পদ্ধতি অনুসরণ করা দরকার।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন