২০/৩২. অধ্যায়ঃ
শত্রু ব্যতীত অন্য কোন কারণে বাধাপ্রাপ্ত হলে কি করণীয়
ইহরামকে শুধু বায়তুল্লাহ হালাল করে: আয়েশা (রা)-এর বক্তব্য
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ৭৯৫
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ৭৯৫
و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ أَنَّهُ بَلَغَهُ عَنْ عَائِشَةَ زَوْجِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّهَا كَانَتْ تَقُوْلُ: الْمُحْرِمُ لَا يُحِلُّهُ إِلَّا الْبَيْتُ.
ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ (র) হতে বর্ণিতঃ
তাঁর নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, নাবী (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সহধর্মিনী আয়েশা (রা) বলতেন, ইহরামকে শুধু বায়তুল্লাহই হালাল করতে পারে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৭৯৫-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় আয়েশা (রা)-এর একটি সংক্ষিপ্ত কিন্তু গভীর অর্থবহ কথা এসেছে। তিনি বলতেন, মুহরিমকে শুধু বায়তুল্লাহই হালাল করতে পারে। অর্থাৎ ইহরাম বাঁধার পর সেটি শেষ করার বিষয়টি ইচ্ছামতো নয়; বায়তুল্লাহর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আমল পূর্ণ করার মাধ্যমে হালাল হওয়ার কথা বোঝানো হয়েছে। এই হাদিসের ভাষা সংক্ষিপ্ত, তাই ব্যাখ্যায়ও সীমা রাখা দরকার। এখানে অসুস্থতা, শত্রুর বাধা বা অন্য আলাদা পরিস্থিতির বিস্তারিত নেই; শুধু ইহরাম থেকে হালাল হওয়ার মূল গুরুত্ব বলা হয়েছে। তাই ইহরাম খোলা, বায়তুল্লাহ, তাওয়াফ এবং মুহরিমের হালাল হওয়া—এসব বিষয়ে এই বর্ণনা গুরুত্বপূর্ণ মনে করিয়ে দেয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ইহরাম থেকে হালাল হওয়া ইচ্ছামতো বিষয় নয়।
- বায়তুল্লাহর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আমল ইহরাম শেষের মূল বিষয়।
- সংক্ষিপ্ত বর্ণনা থেকে অতিরিক্ত সিদ্ধান্ত টানা উচিত নয়।
- মুহরিমের জন্য ইহরামের শেষ নিয়ম জেনে নেওয়া জরুরি।
