২০/৯. অধ্যায়ঃ
ইহরাম বাঁধার ও সেই সময় তালবিয়া পাঠ করার পদ্ধতি
যুল-হুলায়ফায় নামায শেষে ইহরাম বাঁধার আমল
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ৭২৫
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ৭২৫
- و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ نَافِعٍ أَنَّ عَبْدَ اللهِ بْنَ عُمَرَ كَانَ يُصَلِّي فِي مَسْجِدِ ذِي الْحُلَيْفَةِ ثُمَّ يَخْرُجُ فَيَرْكَبُ فَإِذَا اسْتَوَتْ بِهِ رَاحِلَتُهُ أَحْرَمَ.
নাফি’ (রা) হতে বর্ণিতঃ
আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) যুল-হুলায়ফাস্থ মসজিদে নামায পড়ে বের হতেন, পরে উটে আরোহণ করে ইহরাম বাঁধতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৭২৫-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা)-এর একটি আমল তুলে ধরা হয়েছে। তিনি যুল-হুলায়ফার মসজিদে নামায পড়তেন, তারপর বের হয়ে উটে আরোহণ করতেন। যখন উট তাঁকে নিয়ে সোজা হয়ে দাঁড়াত, তখন তিনি ইহরাম বাঁধতেন। এটি আগের বর্ণনাগুলোর সঙ্গে মিল রেখে হজ ও উমরার প্রস্তুতির একটি ধারাবাহিক ছবি দেয়। এখানে তালবিয়া ও ইহরামের সঙ্গে মসজিদ, নামায এবং যাত্রার মুহূর্ত যুক্ত হয়েছে। হাদিসটি দেখায়, ইবনু উমার (রা) ইবাদতের কাজে তাড়াহুড়া নয়, বরং শেখা পদ্ধতি মেনে চলতেন। যুল-হুলায়ফা থেকে ইহরাম বাঁধা মদীনাবাসী হাজীদের জন্য পরিচিত আমল ছিল। এই বর্ণনা থেকে নিয়ম মেনে ইবাদত করার গুরুত্ব বোঝা যায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ইবনু উমার (রা) যুল-হুলায়ফার মসজিদে নামায পড়ে ইহরামের প্রস্তুতি নিতেন।
- তিনি উটে আরোহণের পর ইহরাম বাঁধতেন।
- হজের আমলে সময় ও স্থানের প্রতি মনোযোগ রাখা দরকার।
- সাহাবীদের আমলে রাসূল صلى الله عليه وسلم-এর শেখানো পদ্ধতির প্রভাব দেখা যায়।
