১৮/১৬. অধ্যায়ঃ
রোযার মানত করা এবং মৃত ব্যক্তির পক্ষ হতে রোযা রাখা
অন্যের পক্ষ থেকে রোযা রাখা যাবে কি: ইবনু উমার (রা)-এর উত্তর
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ৬৫৮
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ৬৫৮
و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك أَنَّهُ بَلَغَهُ أَنَّ عَبْدَ اللهِ بْنَ عُمَرَ كَانَ يُسْأَلُ هَلْ يَصُومُ أَحَدٌ عَنْ أَحَدٍ أَوْ يُصَلِّي أَحَدٌ عَنْ أَحَدٍ فَيَقُولُ لَا يَصُومُ أَحَدٌ عَنْ أَحَدٍ وَلَا يُصَلِّي أَحَدٌ عَنْ أَحَدٍ.
বর্ণনাকারী হতে বর্ণিতঃ
আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা)-কে প্রশ্ন করা হল একজন আর একজনের পক্ষে রোযা রাখবে কি ? অথবা একজন অন্যজনের পক্ষে নামায আদায় করবে কি ? তিনি উত্তরে বললেন, একজন আর একজনের পক্ষে রোযা রাখবে না এবং অপরের পক্ষে নামাযও আদায় করবে না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৬৫৮-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা)-কে জিজ্ঞেস করা হয়, একজন কি অন্যজনের পক্ষ থেকে রোযা রাখবে? অথবা একজন কি অন্যজনের পক্ষ থেকে নামায আদায় করবে? তিনি উত্তরে বলেন, একজন আরেকজনের পক্ষ থেকে রোযা রাখবে না এবং অন্যের পক্ষ থেকে নামাযও আদায় করবে না। হাদিসটি সংক্ষিপ্ত হলেও ব্যক্তিগত ইবাদতের দায়িত্ব নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ কথা বলে। রোযা ও নামায মানুষের নিজের আমল—এই দিকটি এখানে স্পষ্ট। তবে অন্য বর্ণনাগুলোতে মানতের রোযা বা মৃত ব্যক্তির দায় নিয়ে আলাদা আলোচনা পাওয়া যায়; তাই এই হাদিস ব্যাখ্যা করতে হলে তার নিজের ভাষা ধরে রাখা জরুরি। মূল কথাটি হলো, অন্যের হয়ে সাধারণভাবে নামায-রোযা আদায়ের অনুমতি এখানে দেওয়া হয়নি।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ইবনু উমার (রা) অন্যের পক্ষ থেকে রোযা রাখাকে অনুমোদন করেননি।
- তিনি অন্যের পক্ষ থেকে নামায আদায়ের কথাও নাকচ করেছেন।
- ব্যক্তিগত ইবাদতের দায়িত্ব নিজের ওপর থাকে—এ কথা বোঝা যায়।
- আলাদা বর্ণনার মাসআলা এই সংক্ষিপ্ত বক্তব্যের সঙ্গে গুলিয়ে ফেলা উচিত নয়।
