১৮/৬. অধ্যায়ঃ
রোযাদারের চুমু খাওয়ার ব্যাপারে কঠোরতা
রোযাদারের চুমু: ইবনু আব্বাস (রা.)-এর সতর্ক উত্তর
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ৬৩৪
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ৬৩৪
و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَسَارٍ أَنَّ عَبْدَ اللهِ بْنَ عَبَّاسٍ سُئِلَ عَنْ الْقُبْلَةِ لِلصَّائِمِ فَأَرْخَصَ فِيهَا لِلشَّيْخِ وَكَرِهَهَا لِلشَّابِّ.
বর্ণনাকারী হতে বর্ণিতঃ
আবদুল্লাহ্ ইবনু আব্বাস (রা)-কে রোযাদারের চুমু খাওয়ার বিষয়ে প্রশ্ন করা হয়। তিনি বৃদ্ধের জন্য অনুমতি দেন। আর যুবকের জন্য মাকরূহ বলেন। [১] (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
[১] এতে বিপদের আশংকাই বেশি, এই সময় এমন কাজও করে বসতে পারে যাতে রোযা ভঙ্গ হয়ে যায় এবং কাফফারাও দিতে হয়।
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৬৩৪-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রা.)-কে রোযাদারের চুমু সম্পর্কে প্রশ্ন করা হয়। তিনি বৃদ্ধের জন্য অনুমতি দেন এবং যুবকের জন্য তা মাকরূহ বলেন। এই বর্ণনার মূল বিষয় হলো রোযায় চুমু এবং সংযম। এখানে বয়সের কথা এসেছে, কারণ বর্ণনার ভাষা অনুযায়ী বৃদ্ধ ও যুবকের জন্য আলাদা উত্তর দেওয়া হয়েছে। হাদিসে এর বেশি ব্যাখ্যা নেই, তাই আমরা শুধু এতটুকুই বলি যে ইবনু আব্বাস (রা.) বিষয়টি সবার জন্য একইভাবে বলেননি। রোযা এমন ইবাদত যেখানে নিজের অবস্থা, ইচ্ছা নিয়ন্ত্রণ এবং আল্লাহর সীমানা মানা গুরুত্বপূর্ণ। তাই এই বর্ণনা মানুষকে অকারণ কঠোরতা নয়, বরং নিজের সক্ষমতা বুঝে সতর্ক হতে শেখায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ইবনু আব্বাস (রা.) রোযাদারের চুমুতে বয়সভেদে আলাদা উত্তর দিয়েছেন।
- যুবকের জন্য তিনি মাকরূহ বলেছেন—এতে সতর্কতার দিক আছে।
- নিজের সংযম ও অবস্থার বিষয় রোযার আমলে গুরুত্বপূর্ণ।
- মাসআলায় সব মানুষের অবস্থা একই নাও হতে পারে।
