১৮/৫. অধ্যায়ঃ
রোযাদারের জন্য চুমু খাওয়ার অনুমতি
রোযাদারের চুমু: আবূ হুরায়রা ও সা‘দ (রা.)-এর মত
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ৬৩২
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ৬৩২
و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ أَنَّ أَبَا هُرَيْرَةَ وَسَعْدَ بْنَ أَبِي وَقَّاصٍ كَانَا يُرَخِّصَانِ فِي الْقُبْلَةِ لِلصَّائِمِ.
বর্ণনাকারী হতে বর্ণিতঃ
আবূ হুরায়রা ও সা’দ আবি ওয়াক্কাস (রা) রোযাদারের জন্য চুমু খাওয়ার অনুমতি দিতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৬৩২-এর সারসংক্ষেপ
এই সংক্ষিপ্ত বর্ণনায় বলা হয়েছে, আবূ হুরায়রা (রা.) ও সা‘দ ইবনু আবি ওয়াক্কাস (রা.) রোযাদারের জন্য চুমু খাওয়ার অনুমতি দিতেন। এখানে মূল বিষয় হলো রোযাদারের চুমু। হাদিসে শুধু তাঁদের অনুমতির কথা এসেছে; এর বাইরে কোনো শর্ত বা বিস্তারিত আলোচনা এই নির্দিষ্ট বর্ণনায় নেই। তাই ব্যাখ্যায় অতিরিক্ত কিছু যোগ না করে বলা যায়, সাহাবিদের মধ্যে এমন মত ছিল যে রোযাদার চুমু দিতে পারে। তবে একই ধারার অন্য বর্ণনায় আত্মসংযম, বয়স বা অবস্থার কথাও এসেছে। তাই এই বিষয়টি বুঝতে হাদিসের সব বর্ণনা মিলিয়ে সাবধানভাবে চলা ভালো। রোযার উদ্দেশ্য নষ্ট না করে আল্লাহর সীমানা মেনে চলাই প্রধান।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- আবূ হুরায়রা ও সা‘দ (রা.) রোযাদারের চুমুতে অনুমতি দিতেন।
- একটি মাসআলায় সাহাবিদের বর্ণিত মত জানা উপকারী।
- সংক্ষিপ্ত বর্ণনা থেকে অতিরিক্ত শর্ত বানানো ঠিক নয়।
- রোযায় নিজের সংযম ও সীমা বুঝে চলা দরকার।
