১৫/১০. অধ্যায়ঃ
ফজর ও আসরের পর নামায নিষিদ্ধ হওয়া
আসরের পর নামাজ: উমার (রা)-এর সতর্ক করার ঘটনা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ৫০৩
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ৫০৩
و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ ابْنِ شِهَابٍ عَنْ السَّائِبِ بْنِ يَزِيدَ أَنَّهُ رَأَى عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ يَضْرِبُ الْمُنْكَدِرَ فِي الصَّلَاةِ بَعْدَ الْعَصْرِ.
সায়িব ইবনু ইয়াযিদ (র) হতে বর্ণিতঃ
তিনি উমার ইবনু খাত্তাব (রা)-কে দেখেছেন যে, তিনি (উমার (রা) আসরের পর নামায আদায় করার কারণে মুনকাদির (র)-কে প্রহার করছেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৫০৩-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় দেখা যায়, উমার ইবনু খাত্তাব (রা) আসরের পর নামাজ আদায় করার কারণে মুনকাদির (র)-কে প্রহার করেছেন। এখানে মূল শিক্ষা হলো, আসরের পর নামাজের বিষয়ে সাহাবিদের মধ্যে সতর্কতা ছিল। “আসরের পর নামাজ পড়া যাবে কি” প্রশ্নে এই ঘটনা আগের নিষেধমূলক বর্ণনাগুলোর সঙ্গে একই ধারার সতর্কতা দেখায়। তবে এই হাদিসে শুধু ঘটনাটিই এসেছে; তাই এর বাইরে নতুন কোনো বিধান বা অতিরিক্ত ব্যাখ্যা যোগ করা ঠিক নয়। যে বিষয়টি স্পষ্ট, তা হলো নিষিদ্ধ সময়ে নামাজ আদায়কে উমার (রা) গুরুত্বের সঙ্গে দেখতেন এবং মানুষকে থামাতেন।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- আসরের পর নামাজের ব্যাপারে সাহাবিদের সতর্কতা ছিল।
- নিষিদ্ধ সময়ে নামাজ পড়াকে হালকা করে দেখা উচিত নয়।
- হাদিসে যতটুকু ঘটনা এসেছে, ব্যাখ্যায় ততটুকুতেই সীমাবদ্ধ থাকা নিরাপদ।
