১১/১. অধ্যায়ঃ
সালাতুল-খাওফ বা ভয়কালীন নামায
খন্দকের দিন যোহর-আসর দেরি হওয়া ও সালাতুল খাওফের প্রসঙ্গ
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ৪২৯
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ৪২৯
و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ أَنَّهُ قَالَ مَا صَلَّى رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الظُّهْرَ وَالْعَصْرَ يَوْمَ الْخَنْدَقِ حَتَّى غَابَتْ الشَّمْسُ ৬৩৬-قَالَ مَالِك وَحَدِيثُ الْقَاسِمِ بْنِ مُحَمَّدٍ عَنْ صَالِحِ بْنِ خَوَّاتٍ أَحَبُّ مَا سَمِعْتُ إِلَيَّ فِي صَلَاةِ الْخَوْفِ.
সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (রা) হতে বর্ণিতঃ
খন্দকের দিন সূর্য অস্ত গিয়েছে অথচ রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যোহর ও আসরের নামায আদায় করেননি। (ইমাম বুখারী অনুরূপ অর্থে ৭৪৫ নং হাদীস বর্ণনা করেছেন)মালিক (র) বলেন, সালাতুল-খাওফ সম্পর্কে যা আমি শুনেছি, তন্মধ্যে কাসিম ইবনু মুহাম্মদ (র) কর্তৃক সালিহ ইবনু খাওওয়াত (র) হতে বর্ণিত হাদীসটি আমার কাছে সর্বাপেক্ষা পছন্দনীয়।
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৪২৯-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় খন্দকের দিনের একটি কঠিন অবস্থার কথা এসেছে। সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র) বলেন, খন্দকের দিন সূর্য অস্ত যাওয়ার আগ পর্যন্ত রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যোহর ও আসরের নামাজ আদায় করেননি। বর্ণনায় যুদ্ধের চাপ ও ভয়াবহ পরিস্থিতির ইঙ্গিত পাওয়া যায়। এরপর ইমাম মালিক (র) বলেন, সালাতুল খাওফ সম্পর্কে তিনি যা শুনেছেন, তার মধ্যে কাসিম ইবনু মুহাম্মদ (র) কর্তৃক সালিহ ইবনু খাওওয়াত (র) থেকে বর্ণিত হাদিসটি তাঁর কাছে বেশি পছন্দনীয়। তাই এই হাদিসে দুটি বিষয় আছে—খন্দকের দিনের নামাজ দেরি হওয়ার ঘটনা এবং সালাতুল খাওফের পদ্ধতি নিয়ে ইমাম মালিক (র)-এর পছন্দ। ব্যাখ্যায় এর বাইরে অতিরিক্ত ঘটনা যোগ করা হয়নি।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- খন্দকের দিনে নামাজ আদায়ে কঠিন পরিস্থিতির উল্লেখ আছে।
- যোহর ও আসর সূর্যাস্ত পর্যন্ত আদায় না হওয়ার ঘটনা বর্ণিত হয়েছে।
- ইমাম মালিক (র) সালাতুল খাওফ বিষয়ে একটি বর্ণনাকে বেশি পছন্দ করেছেন।
- কঠিন সময়ের বর্ণনা বুঝতে হাদিসের ভাষ্যেই সীমাবদ্ধ থাকা দরকার।
