৮/২. অধ্যায়ঃ
ইশা ও ফজর-এর নামায
ইশা ও ফজরের নামাজ জামাতে পড়ার গুরুত্ব
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ২৮৪
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ২৮৪
حَدَّثَنِي يَحْيَى عَنْ مَالِك عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ حَرْمَلَةَ الْأَسْلَمِيِّ عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِأَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ بَيْنَنَا وَبَيْنَ الْمُنَافِقِينَ شُهُودُ الْعِشَاءِ وَالصُّبْحِ لَا يَسْتَطِيعُونَهُمَا أَوْ نَحْوَ هَذَا.
সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র) হতে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আমাদের আর মুনাফিকদের মধ্যে পার্থক্য হল ইশা ও ফজরের নামাযে উপস্থিত হওয়া। তারা ঐ দুই নামাযে উপস্থিত হতে পারে না অথবা অনুরূপ কোন বাক্য বলেছেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ২৮৪-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে ইশা ও ফজরের নামাজ জামাতে পড়ার গুরুত্ব বিশেষভাবে বলা হয়েছে। রাসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আমাদের আর মুনাফিকদের মধ্যে পার্থক্য হলো ইশা ও ফজরের নামাযে উপস্থিত হওয়া। তারা এই দুই নামাযে উপস্থিত হতে পারে না—অথবা অনুরূপ কথা বলেছেন। হাদিসের ভাষা থেকে বোঝা যায়, ইশা ও ফজরের জামা’আত মানুষের ঈমানি আগ্রহ ও অলসতার পরীক্ষা হয়ে দাঁড়ায়। কারণ এই দুই ওয়াক্তে সাধারণত ঘুম, ক্লান্তি বা অন্ধকারের কারণে উপস্থিত হওয়া কঠিন হতে পারে। তবে হাদিসে সরাসরি মূল কথা হলো: ইশা ও ফজরে উপস্থিত হওয়া খুব গুরুত্বপূর্ণ, আর এগুলোতে অনুপস্থিতি মুনাফিকদের আচরণের সঙ্গে মিল রাখে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ইশা ও ফজরের নামাযে উপস্থিতি বিশেষ গুরুত্ব বহন করে।
- এই দুই ওয়াক্তে জামা’আত অবহেলা করা নিন্দনীয়।
- নামাযে উপস্থিতি মানুষের আন্তরিকতার একটি পরিচয় হতে পারে।
- হাদিসটি ইশা ও ফজরের জামা’আত সম্পর্কে সতর্ক করে।
