৩১/৩২. অধ্যায়ঃ
এক বিক্রয়ে দুই বিক্রয় ঢুকান নিষিদ্ধ
এক বিক্রিতে দুই বিক্রি: ইসলামে নিষিদ্ধ লেনদেনের শিক্ষা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ১৩৩৮
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ১৩৩৮
حَدَّثَنِي يَحْيَى عَنْ مَالِك أَنَّهُ بَلَغَهُ أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نَهَى عَنْ بَيْعَتَيْنِ فِي بَيْعَة.
বর্ণণাকারী হতে বর্ণিতঃ
মালিক (রহঃ)-এর নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক বিক্রিতে দুই বিক্রি চুকান করতে নিষেধ করেছেন। (সহীহ, তিরমিযী ১২৩১, নাসাঈ ৪৬৩২, আলবানী হাদীসটি সহীহ বলেছেন। [সহীহ আল-জামে] ৬৯৪৩, আর ইমাম মালিক এর নিকট পৌছেছে মর্মে তিনি বর্ণনা করেছেন)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ১৩৩৮-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক বিক্রিতে দুই বিক্রি চুকান করতে নিষেধ করেছেন। বর্ণনাটি ছোট, কিন্তু বেচাকেনার খুব গুরুত্বপূর্ণ নীতি শেখায়। যখন একটি চুক্তির মধ্যে দুইটি আলাদা মূল্য, দুইটি আলাদা শর্ত বা দুই রকম লেনদেন একসঙ্গে রেখে দেওয়া হয়, তখন ক্রেতা-বিক্রেতা শেষে কোন শর্তে বাধ্য হলো—এটি অস্পষ্ট হতে পারে। এই অস্পষ্টতা ঝগড়া, ধোঁকা বা অন্যায় লাভের দরজা খুলে দিতে পারে। তাই ইসলামী বেচাকেনায় চুক্তি পরিষ্কার হওয়া জরুরি। কোন পণ্য, কত দাম, নগদ না ধারে, এবং কোন শর্তে বিক্রি—এসব বিষয় চুক্তির সময় ঠিক করে নেওয়া দরকার।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- এক চুক্তির মধ্যে দুই বিক্রি জুড়ে দেওয়া থেকে নিষেধ এসেছে।
- দাম ও শর্ত অস্পষ্ট হলে লেনদেনে সমস্যা তৈরি হতে পারে।
- চুক্তির সময় একটিমাত্র নির্দিষ্ট দাম ও শর্ত ঠিক করা দরকার।
- বেচাকেনায় পরিষ্কারতা ন্যায্য লেনদেনের ভিত্তি।
