৩১/২৩. অধ্যায়ঃ
মজুতকরা এবং মুনাফার অপেক্ষায় থাকা
ইহতিকার নিষেধ: বাজারে মানুষের কষ্ট কমানোর শিক্ষা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ১৩২৪
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ১৩২৪
و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك أَنَّهُ بَلَغَهُ أَنَّ عُثْمَانَ بْنَ عَفَّانَ كَانَ يَنْهَى عَنْ الْحُكْرَةِ.
বর্ণণাকারী হতে বর্ণিতঃ
মালিক (রহঃ)-এর নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, উসমান ইবনু আফফান (রাঃ) ইহতিকারকে নিষেধ করতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ১৩২৪-এর সারসংক্ষেপ
এই সংক্ষিপ্ত বর্ণনায় বলা হয়েছে, উসমান ইবনু আফফান (রাঃ) ইহতিকার বা মজুতদারি নিষেধ করতেন। যদিও বর্ণনাটি ছোট, এর শিক্ষা খুব পরিষ্কার। প্রয়োজনীয় পণ্য বাজার থেকে কিনে জমিয়ে রাখা এবং মানুষের প্রয়োজনের সময় পণ্য আটকে রাখা ন্যায্য ব্যবসার পথ নয়। ইহতিকার সাধারণ মানুষের উপর চাপ বাড়াতে পারে। এই কারণে সাহাবিদের আমলে বাজারে এমন কাজ থেকে সতর্ক করা হতো। এই হাদিসের আলোকে বোঝা যায়, ইসলামে ব্যবসা শুধু লাভের জন্য নয়; এতে মানুষের অধিকার, বাজারের স্বাভাবিক সরবরাহ এবং ন্যায়নীতি বজায় রাখাও গুরুত্বপূর্ণ। একজন ব্যবসায়ীকে তাই পণ্য মজুত করার আগে ভাবতে হবে, এতে মানুষের প্রয়োজন ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে কি না।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ইহতিকার বা ক্ষতিকর মজুতদারি থেকে বিরত থাকা উচিত।
- বাজারে মানুষের প্রয়োজনকে অবহেলা করা ঠিক নয়।
- ব্যবসায় লাভের পাশাপাশি ন্যায্যতা বজায় রাখা জরুরি।
- পণ্য আটকে রেখে সংকট তৈরি করা নিন্দনীয় আচরণ।
