২২/৮. অধ্যায়ঃ

কসমের কাফ্ফারা

কসমের কাফ্ফারায় খাদ্য ও পোশাক: মিসকীনের অধিকার

মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ১০১৩

و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ نَافِعٍ عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ عُمَرَ أَنَّهُ كَانَ يُكَفِّرُ عَنْ يَمِينِهِ بِإِطْعَامِ عَشَرَةِ مَسَاكِينَ لِكُلِّ مِسْكِينٍ مُدٌّ مِنْ حِنْطَةٍ وَكَانَ يَعْتِقُ الْمِرَارَ إِذَا وَكَّدَ الْيَمِيْنَ.و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ يَسَارٍ أَنَّهُ قَالَ أَدْرَكْتُ النَّاسَ وَهُمْ إِذَا أَعْطَوْا فِي كَفَّارَةِ الْيَمِينِ أَعْطَوْا مُدًّا مِنْ حِنْطَةٍ بِالْمُدِّ الْأَصْغَرِ وَرَأَوْا ذَلِكَ مُجْزِئًا عَنْهُمْ.১৭৪৭-قَالَ مَالِك أَحْسَنُ مَا سَمِعْتُ فِي الَّذِي يُكَفِّرُ عَنْ يَمِينِهِ بِالْكِسْوَةِ أَنَّهُ إِنْ كَسَا الرِّجَالَ كَسَاهُمْ ثَوْبًا ثَوْبًا وَإِنْ كَسَا النِّسَاءَ كَسَاهُنَّ ثَوْبَيْنِ ثَوْبَيْنِ دِرْعًا وَخِمَارًا وَذَلِكَ أَدْنَى مَا يُجْزِئُ كُلًّا فِي صَلَاتِهِ.

নাফি’ (র) হতে বর্ণিতঃ

আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) যখন স্বীয় কসমের কাফ্ফারা দিতেন তখন দশজন মিসকীনকে আহার করাতেন এবং প্রতিজনকে এক মুদ পরিমাণ গম দিতেন, আর কসম যত তাকীদযুক্ত করতেন তত সংখ্যক গোলাম আযাদ করতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)ইয়াহইয়া ইবনু সা’ঈদ (র) হতে বর্ণিত, সুলায়মান ইবনু ইয়াসার (র) বললেন : আমি লোকদেরকে পেয়েছি তারা যখন কসমের কাফ্ফারা দিতেন তখন প্রত্যেক মিসকীনকে ছোট মুদের এক মুদ পরিমাণ গম দিতেন এবং উহাই যথেষ্ট বলে মনে করতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)মালিক (র) বলেন : কসমের কাফ্ফারা কাপড় দিতে চাইলে পুরুষ মিসকীনকে একটি কাপড় দিলেই চলবে, আর মিসকীন নারী হলে অন্তত দুটি করে কাপড় দিতে হবে। একটি জামা আরেকটি ওড়না। কেননা এতটুকুর কমে সালাত হয় না।

মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ১০১৩-এর সারসংক্ষেপ

এই বর্ণনায় দেখা যায়, আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) কসমের কাফ্ফারা দিলে দশজন মিসকীনকে আহার করাতেন এবং প্রত্যেককে এক মুদ গম দিতেন। কসম যত জোরালো করতেন, তত সংখ্যক গোলাম আযাদ করতেন। সুলায়মান ইবনু ইয়াসার (র) বলেন, তিনি লোকদের দেখেছেন তারা কসমের কাফ্ফারায় প্রত্যেক মিসকীনকে ছোট মুদে এক মুদ গম দিতেন এবং সেটাকে যথেষ্ট মনে করতেন। ইমাম মালিক (র) পোশাকের ক্ষেত্রে পুরুষ ও নারীর জন্য আলাদা ন্যূনতম কাপড়ের কথা বলেন। এই হাদিসে কাফ্ফারা শুধু ব্যক্তিগত অনুশোচনা নয়; দরিদ্রের উপকারও এর অংশ।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • কসমের কাফ্ফারায় মিসকীনদের খাদ্য দেওয়া যায়।
  • পোশাক দিলে তা ব্যবহারযোগ্য হওয়া দরকার।
  • কাফ্ফারার মাধ্যমে দরিদ্রের উপকারের দিক আছে।
  • কসমকে জোরালো করা কথার দায়িত্ব বাড়াতে পারে।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন