২৫/৮০. অধ্যায়ঃ
সাফা ও মারওয়ার মধ্যে সাঈ করা প্রসঙ্গে যা কিছু বর্ণিত হয়েছে।
وَقَالَ ابْنُ عُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا السَّعْيُ مِنْ دَارِ بَنِي عَبَّادٍ إِلَى زُقَاقِ بَنِي أَبِي حُسَيْنٍইবন ‘উমার (রা.) বলেন, বনূ ‘আব্বাদ-এর বসতি হতে বনূ আবূ হুসাইন-এর গলি পর্যন্ত সা‘য়ী করবে।"
তাওয়াফের পর দুই রাকাত ও সাফা-মারওয়া সাঈ
সহীহ বুখারী : ১৬৪৭
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ১৬৪৭
حَدَّثَنَا الْمَكِّيُّ بْنُ إِبْرَاهِيمَ عَنْ ابْنِ جُرَيْجٍ قَالَ أَخْبَرَنِي عَمْرُو بْنُ دِينَارٍ قَالَ سَمِعْتُ ابْنَ عُمَرَ قَالَ قَدِمَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم مَكَّةَ فَطَافَ بِالْبَيْتِ ثُمَّ صَلَّى رَكْعَتَيْنِ ثُمَّ سَعَى بَيْنَ الصَّفَا وَالْمَرْوَةِ ثُمَّ تَلاَ {لَقَدْ كَانَ لَكُمْ فِي رَسُولِ اللهِ إِسْوَةٌ حَسَنَةٌ}
ইব্নু ‘উমর (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) মক্কায় উপনীত হয়ে বাইতুল্লাহর তাওয়াফ সম্পন্ন করলেন। এরপর দু’রাকাত সালাত আদায় করলেন। এরপর সাফা ও মারওয়া সাঈ করলেন। এরপর তিনি (ইবন উমর) তিলাওয়াত করলেনঃ “নিশ্চয়ই তোমাদের জন্য আল্লাহর রাসূল (ﷺ) এর মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ” – (আল আহযাব: ২১)।
(৩৯৫) (আঃপ্রঃ ১৫৩৫, ইঃফাঃ১৫৪১)
সহীহ বুখারী হাদিস ১৬৪৭-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে নবী صلى الله عليه وسلم-এর মক্কায় আগমনের পর আমলের ক্রম খুব সংক্ষেপে বলা হয়েছে। তিনি প্রথমে বাইতুল্লাহ তাওয়াফ করেন। এরপর দুই রাকাত সালাত আদায় করেন। তারপর সাফা ও মারওয়ার মাঝে সাঈ করেন। ইবনু উমর (রাঃ) শেষে সেই আয়াত তিলাওয়াত করেন, যেখানে বলা হয়েছে রাসূল صلى الله عليه وسلم-এর মধ্যে উত্তম আদর্শ রয়েছে। এর মাধ্যমে বোঝানো হয়েছে, হজ্জ বা উমরার আমলে শুধু তথ্য জানা যথেষ্ট নয়; নবী صلى الله عليه وسلم যেভাবে করেছেন, সেই ধারাকে সামনে রাখা দরকার। এই হাদিসে অতিরিক্ত কোনো ব্যাখ্যা নেই, তাই ব্যাখ্যাও শুধু তাওয়াফ, সালাত ও সাঈর এই ধারাবাহিকতার ওপর রাখা হয়েছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- নবী صلى الله عليه وسلم-এর আমল ইবাদতের ক্রম বুঝতে সাহায্য করে।
- তাওয়াফের পর দুই রাকাত সালাতের কথা এসেছে।
- সাফা-মারওয়া সাঈ তাওয়াফের পরের গুরুত্বপূর্ণ কাজ হিসেবে এসেছে।
- রাসূল صلى الله عليه وسلم-কে উত্তম আদর্শ হিসেবে গ্রহণ করতে বলা হয়েছে।
