২১/২. অধ্যায়ঃ
শত্রুর দেশে কুরআনুল কারীম নিয়ে যাওয়া নিষিদ্ধ
শত্রুর দেশে কুরআন নেওয়া নিষেধ: কুরআনের সম্মান রক্ষার হাদিস
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ৯৫৬
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ৯৫৬
حَدَّثَنِي يَحْيَى عَنْ مَالِك عَنْ نَافِعٍ عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ عُمَرَ أَنَّهُ قَالَ: نَهَى رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنْ يُسَافَرَ بِالْقُرْآنِ إِلَى أَرْضِ الْعَدُوِّ. قَالَ مَالِك وَإِنَّمَا ذَلِكَ مَخَافَةَ أَنْ يَنَالَهُ الْعَدُوُّ.
নাফি (র) হতে বর্ণিতঃ
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) বলেছেন, শত্রুর দেশে কুরআন নিয়ে যেতে রসূলুল্লাহ্ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) নিষেধ করেছেন। (বুখারী ২৯৯০, মুসলিম ১৮৬৯)মালিক (রা) বলেন : এই নিষেধাজ্ঞার কারণ হল, শত্রুরা যেন কুরআন শরীফের অবমাননা করার সুযোগ না পায়।
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৯৫৬-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আবদুল্লাহ ইবনু উমার রা. বলেন, রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম শত্রুর দেশে কুরআন নিয়ে সফর করতে নিষেধ করেছেন। এরপর ইমাম মালিক রহ. কারণ ব্যাখ্যা করে বলেন, এই নিষেধাজ্ঞার ভয় হলো শত্রুরা যেন কুরআন শরীফের অবমাননা করার সুযোগ না পায়। তাই এই হাদিসের মূল বিষয় কুরআনের সম্মান রক্ষা। এখানে সাধারণ ভ্রমণ বা সব অবস্থার বিস্তারিত নিয়ম বলা হয়নি; বরং শত্রু-অঞ্চলে কুরআন নিয়ে যাওয়ার নির্দিষ্ট ঝুঁকির কথা এসেছে। কুরআনের মর্যাদা, নিরাপত্তা এবং অসম্মান থেকে বাঁচানোর ভাবনাই এই বর্ণনার প্রধান শিক্ষা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- কুরআনের সম্মান রক্ষা করা মুসলিমের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব।
- যেখানে অবমাননার আশঙ্কা থাকে, সেখানে সতর্কতা দরকার।
- ইমাম মালিক রহ. নিষেধের কারণ হিসেবে কুরআনের অবমাননার ভয় উল্লেখ করেছেন।
