২০/৭৬. অধ্যায়ঃ
বন্য পশু-পাখি হত্যার ফিদ্য়া
বন্য গাভী ও হরিণ শিকারে কী ফিদ্য়া দিতে হবে
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ৯২৬
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ৯২৬
و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ أَنَّ أَبَاهُ كَانَ يَقُولُ فِي الْبَقَرَةِ مِنْ الْوَحْشِ بَقَرَةٌ وَفِي الشَّاةِ مِنْ الظِّبَاءِ شَاةٌ.
হিশাম ইবনু উরওয়া (র) হতে বর্ণিতঃ
একটি বন্য গাভী হত্যা করলে একটি গরু এবং হরিণ হত্যা করলে একটি বকরী ফিদ্য়া দিতে হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৯২৬-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনাটি খুব সংক্ষিপ্ত, কিন্তু ইহরামে শিকার সম্পর্কিত একটি স্পষ্ট বিধান দেয়। এতে বলা হয়েছে, কেউ যদি একটি বন্য গাভী হত্যা করে, তবে একটি গরু ফিদ্য়া দিতে হবে। আর হরিণ হত্যা করলে একটি বকরী ফিদ্য়া দিতে হবে। এখানে মূল বিষয় হলো, ইহরাম অবস্থায় শিকার করলে তার বদলা বা ফিদ্য়া নির্দিষ্টভাবে আদায় করতে হয়। হাদিসের ভাষা থেকে বোঝা যায়, শিকার করা প্রাণীর সঙ্গে মিল রেখে ফিদ্য়া নির্ধারণ করা হয়েছে। এটি হজ্জ ও উমরার ইহরামের শৃঙ্খলা রক্ষার একটি শিক্ষা। তাই যারা ইহরামের বিধান, হজ্জে শিকার নিষেধ এবং শিকারের ফিদ্য়া জানতে চান, তাদের জন্য এই বর্ণনা সরাসরি উপকারী।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- বন্য গাভী হত্যার বদলে একটি গরু ফিদ্য়ার কথা এসেছে।
- হরিণ হত্যার বদলে একটি বকরী ফিদ্য়ার কথা এসেছে।
- ইহরাম অবস্থায় শিকার থেকে সাবধান থাকা দরকার।
- ফিদ্য়া নির্ধারণে প্রাণীর ধরন বিবেচনা করা হয়েছে।
