২/১৫. অধ্যায়ঃ
লজ্জাস্থান স্পর্শ করলে ওযূ করা
গোসলের পর ওযূ: লজ্জাস্থান স্পর্শ করলে সতর্কতার শিক্ষা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ৯২
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ৯২
و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ ابْنِ شِهَابٍ عَنْ سَالِمِ بْنِ عَبْدِ اللهِ أَنَّهُ قَالَ رَأَيْتُ أَبِي عَبْدَ اللهِ بْنَ عُمَرَ يَغْتَسِلُ ثُمَّ يَتَوَضَّأُ فَقُلْتُ لَهُ يَا أَبَتِ أَمَا يَجْزِيكَ الْغُسْلُ مِنْ الْوُضُوءِ قَالَ بَلَى وَلَكِنِّي أَحْيَانًا أَمَسُّ ذَكَرِي فَأَتَوَضَّأُ.
সালিম ইবনু আবদুল্লাহ (র) হতে বর্ণিতঃ
আমি আমার পিতা আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ)-কে দেখেছি, তিনি গোসল করতেন, তারপর ওযূ করতেন। আমি বললাম আব্বাজান! গোসল আপনার ওযূর জন্য কি যথেষ্ট হয় না? (অর্থাৎ গোসল দ্বারা ওযূর কাজ হয়ে যায় না?) তিনি বললেন, হ্যাঁ, যথেষ্ট হয়। কিন্তু আমি কোন কোন সময় লজ্জাস্থান স্পর্শ করি। তাই আমি ওযূ করি। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৯২-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে সালিম (র) তাঁর পিতা আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ)-কে দেখেছেন, তিনি গোসল করতেন, তারপর ওযূ করতেন। সালিম (র) জিজ্ঞেস করেন, গোসল কি ওযূর জন্য যথেষ্ট নয়? ইবনু উমার (রাঃ) বলেন, হ্যাঁ, যথেষ্ট। কিন্তু আমি কোনো কোনো সময় লজ্জাস্থান স্পর্শ করি, তাই ওযূ করি। এই বর্ণনায় দুটি বিষয় আছে। প্রথমত, গোসল ও ওযূর সম্পর্ক নিয়ে প্রশ্ন করা হয়েছে। দ্বিতীয়ত, লজ্জাস্থান স্পর্শ করলে ওযূ করার দিকটি এসেছে। ইবনু উমার (রাঃ)-এর উত্তরে বোঝা যায়, তিনি গোসলকে যথেষ্ট বলেছেন, কিন্তু স্পর্শের কারণে নতুন করে ওযূ করতেন। এখানে পবিত্রতার বিষয়ে সতর্ক আমল দেখা যায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ইবনু উমার (রাঃ) বলেছেন, গোসল ওযূর জন্য যথেষ্ট হতে পারে।
- লজ্জাস্থান স্পর্শের কারণে তিনি আলাদা ওযূ করতেন।
- পবিত্রতার বিষয়ে প্রশ্ন করে জেনে নেওয়া ভালো।
- সতর্কভাবে ইবাদতের প্রস্তুতি নেওয়ার শিক্ষা পাওয়া যায়।
