২০/৭২. অধ্যায়ঃ
কঙ্কর নিক্ষেপের ব্যাপারে রুখসত
রাখালদের রাতে কঙ্কর নিক্ষেপের অনুমতি ও ব্যাখ্যা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ৯১৩
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ৯১৩
و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ عَنْ عَطَاءِ بْنِ أَبِي رَبَاحٍ أَنَّهُ سَمِعَهُ يَذْكُرُ أَنَّهُ أُرْخِصَ لِلرِّعَاءِ أَنْ يَرْمُوا بِاللَّيْلِ يَقُولُ فِي الزَّمَانِ الْأَوَّلِ -قَالَ مَالِك تَفْسِيرُ الْحَدِيثِ الَّذِي أَرْخَصَ فِيهِ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لِرِعَاءِ الْإِبِلِ فِي تَأْخِيرِ رَمْيِ الْجِمَارِ فِيمَا نُرَى وَاللهُ أَعْلَمُ أَنَّهُمْ يَرْمُونَ يَوْمَ النَّحْرِ فَإِذَا مَضَى الْيَوْمُ الَّذِي يَلِي يَوْمَ النَّحْرِ رَمَوْا مِنْ الْغَدِ وَذَلِكَ يَوْمُ النَّفْرِ الْأَوَّلِ فَيَرْمُونَ لِلْيَوْمِ الَّذِي مَضَى ثُمَّ يَرْمُونَ لِيَوْمِهِمْ ذَلِكَ لِأَنَّهُ لَا يَقْضِي أَحَدٌ شَيْئًا حَتَّى يَجِبَ عَلَيْهِ فَإِذَا وَجَبَ عَلَيْهِ وَمَضَى كَانَ الْقَضَاءُ بَعْدَ ذَلِكَ فَإِنْ بَدَا لَهُمْ النَّفْرُ فَقَدْ فَرَغُوا وَإِنْ أَقَامُوا إِلَى الْغَدِ رَمَوْا مَعَ النَّاسِ يَوْمَ النَّفْرِ الْآخِرِ وَنَفَرُوا.
ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ (র) হতে বর্ণিতঃ
উটের রাখালদেরকে কঙ্কর নিক্ষেপের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। আতা ইবনু রাবাহ বলেন, এই অনুমতি প্রথম যুগ হতে প্রচলিত ছিল। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)মালিক (র) বলেন, আবুল বাদদা ইবনু আসিম ইব্নু আদী বর্ণিত উপরিউক্ত হাদীসটির মর্মার্থ হল, সে দশ তারিখে রমী করার পর এগার তারিখ অতিবাহিত হয়ে গেলে বার তারিখে এসে এগার এবং বার উভয় তারিখের রমী করবে। কারণ ওয়াজিব হওয়ার পূর্বে কোন বস্তুর কাযা হয় না; যখন তার উপর ওয়াজিব হল এবং সেদিন অতিবাহিত হল তখন সেদিনের রমী কাযা করতে হবে।
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৯১৩-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় উটের রাখালদের কঙ্কর নিক্ষেপের ছাড় নিয়ে কথা এসেছে। আতা ইবনু রাবাহ বলেন, রাখালদের রাতে রমী করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে এবং এই অনুমতি প্রথম যুগ থেকেই প্রচলিত ছিল। এরপর ইমাম মালিক (র) পূর্বের হাদিসের ব্যাখ্যা দেন। তাঁর ব্যাখ্যা অনুযায়ী, রাখালরা দশ তারিখে রমী করবে। এরপর ১১ তারিখ পার হয়ে গেলে ১২ তারিখে এসে ১১ ও ১২ তারিখের রমী করবে। কারণ তাঁর ভাষায়, কোনো কাজ ওয়াজিব হওয়ার আগে তার কাযা হয় না; ওয়াজিব হওয়ার পর দিন পার হলে কাযা করা হয়। তারপর যদি তারা চলে যেতে চায়, যেতে পারে; আর থাকলে পরদিন মানুষের সঙ্গে রমী করবে। মূল বিষয় হলো রাখালদের জন্য রমী বিলম্ব করার ছাড়। এখানে সাধারণ সব হাজীর জন্য একই কথা বলা হয়নি।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- রাখালদের রাতে রমীর অনুমতির কথা বর্ণনায় এসেছে।
- ইমাম মালিক (র) বিলম্বিত রমীর একটি ব্যাখ্যা দিয়েছেন।
- যে কাজ ওয়াজিব হওয়ার পর ছুটে যায়, তার কাযার কথা বলা হয়েছে।
- বিশেষ ছাড়কে সাধারণ নিয়ম বানিয়ে ফেলা ঠিক নয়।
