২/১৫. অধ্যায়ঃ
লজ্জাস্থান স্পর্শ করলে ওযূ করা
লজ্জাস্থান স্পর্শ করলে ওযূ: উরওয়াহ (র)-এর সংক্ষিপ্ত শিক্ষা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ৯১
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ৯১
و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ عَنْ أَبِيهِ أَنَّهُ كَانَ يَقُولُ، مَنْ مَسَّ ذَكَرَهُ فَقَدْ وَجَبَ عَلَيْهِ الْوُضُوءُ.
উরওয়াহ ইবনু যুবায়র (র) হতে বর্ণিতঃ
যে তার লজ্জাস্থান স্পর্শ করেছে তার উপর ওযূ ওয়াজিব হয়েছে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৯১-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় উরওয়াহ ইবনু যুবায়র (র)-এর বক্তব্য এসেছে। তিনি বলতেন, যে তার লজ্জাস্থান স্পর্শ করেছে, তার উপর ওযূ ওয়াজিব হয়েছে। হাদিসটি খুব ছোট, কিন্তু এর বিষয় পরিষ্কার। এখানে লজ্জাস্থান স্পর্শ এবং ওযূর সম্পর্ক তুলে ধরা হয়েছে। নামাজের আগে পবিত্রতা ঠিক আছে কি না, তা জানা মুসলিমের জন্য দরকারি বিষয়। এই বর্ণনা সেই দরকারি শিক্ষার একটি অংশ। এতে কোনো দীর্ঘ ঘটনা বা বাড়তি ব্যাখ্যা নেই; তাই মূল কথায় থাকা ভালো। হাদিসটি ওযূ ভঙ্গের কারণ সম্পর্কে সহজ ধারণা দেয় এবং পবিত্রতার ব্যাপারে অসাবধান না হতে শেখায়। বিশেষ করে যারা জানতে চান, স্পর্শ করলে ওযূ লাগবে কি না, তাদের জন্য এই বর্ণনা সরাসরি উত্তর বহন করে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- লজ্জাস্থান স্পর্শের পর ওযূ ওয়াজিব বলা হয়েছে।
- ওযূ ভঙ্গের বিষয়ে স্পষ্ট জ্ঞান রাখা দরকার।
- নামাজের আগে পবিত্রতার অবস্থা যাচাই করা ভালো।
- ছোট বর্ণনা থেকেও গুরুত্বপূর্ণ আমল জানা যায়।
