২০/৭১. অধ্যায়ঃ
কঙ্কর নিক্ষেপ করা
আইয়্যামে তাশরীকে মিনায় থাকলে রমী শেষ করার নিয়ম
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ৯০৮
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ৯০৮
و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ نَافِعٍ أَنَّ عَبْدَ اللهِ بْنَ عُمَرَ كَانَ يَقُولُ مَنْ غَرَبَتْ لَهُ الشَّمْسُ مِنْ أَوْسَطِ أَيَّامِ التَّشْرِيقِ وَهُوَ بِمِنًى فَلَا يَنْفِرَنَّ حَتَّى يَرْمِيَ الْجِمَارَ مِنْ الْغَدِ.
মালিক (র) হতে বর্ণিতঃ
কোন কোন আহলে-ইলমের নিকট তিনি শুনেছেন যে, কঙ্কর এত ছোট হওয়া উচিত যাতে দুই আঙ্গুল দ্বারা নিক্ষেপ করা যায়। মালিক (র) বলেন, আমার মতে উহা হতে কঙ্কর সামান্য বড় হওয়া উচিত।নাফি’ (র) হতে বর্ণিত আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) বলেন, ১২ তারিখের সূর্যাস্ত পর্যন্ত যে ব্যক্তি মিনায় অবস্থান করবে ১৩ তারিখে কঙ্কর নিক্ষেপ না করা পর্যন্ত সে যেন ফিরে না যায়। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৯০৮-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে দুইটি বিষয় এসেছে। প্রথমে কঙ্করের আকার নিয়ে আহলে ইলমের কথা উল্লেখ হয়েছে। তাঁদের মতে, কঙ্কর এমন ছোট হওয়া উচিত যাতে দুই আঙুল দিয়ে নিক্ষেপ করা যায়। ইমাম মালিক (র) বলেন, তাঁর মতে এর চেয়ে সামান্য বড় কঙ্কর পছন্দনীয়। এরপর আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা)-এর কথা এসেছে। তিনি বলেন, যে ব্যক্তি আইয়্যামে তাশরীকের মধ্যবর্তী দিনে, অর্থাৎ ১২ তারিখে সূর্যাস্ত পর্যন্ত মিনায় অবস্থান করবে, সে যেন পরদিন কঙ্কর নিক্ষেপ না করা পর্যন্ত ফিরে না যায়। মূল বিষয় হলো রমীর সময় ও মিনায় অবস্থানের নিয়ম। এখানে ১২ তারিখ সূর্যাস্তের পরের অবস্থার কথা বলা হয়েছে। তাই হাদিসটি হজ্জের রমী, আইয়্যামে তাশরীক এবং মিনার আমল বোঝার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- রমীর কঙ্করের আকার সম্পর্কে সতর্কতা রাখা উচিত।
- ১২ তারিখ সূর্যাস্ত পর্যন্ত মিনায় থাকলে পরদিন রমীর কথা এসেছে।
- হজ্জের আমলে সময়ের নিয়ম গুরুত্ব রাখে।
- মিনায় অবস্থান ও রমীর বিষয় একসঙ্গে বুঝতে হয়।
