২০/৭১. অধ্যায়ঃ
কঙ্কর নিক্ষেপ করা
কঙ্কর নিক্ষেপের সময় প্রতিবার আল্লাহু আকবার বলা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ৯০৭
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ৯০৭
و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ نَافِعٍ أَنَّ عَبْدَ اللهِ بْنَ عُمَرَ كَانَ يُكَبِّرُ عِنْدَ رَمْيِ الْجَمْرَةِ كُلَّمَا رَمَى بِحَصَاةٍ و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك أَنَّهُ سَمِعَ بَعْضَ أَهْلِ الْعِلْمِ يَقُولُ الْحَصَى الَّتِي يُرْمَى بِهَا الْجِمَارُ مِثْلُ حَصَى الْخَذْفِ قَالَ مَالِك وَأَكْبَرُ مِنْ ذَلِكَ قَلِيلًا أَعْجَبُ إِلَيَّ.
নাফি’ (র) হতে বর্ণিতঃ
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) প্রতিটি কঙ্কর নিক্ষেপের সময় ‘আল্লাহু আকবার’ বলতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৯০৭-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা)-এর রমী বা কঙ্কর নিক্ষেপের আমল এসেছে। তিনি প্রতিটি কঙ্কর নিক্ষেপের সময় ‘আল্লাহু আকবার’ বলতেন। এখানে মূল বিষয় হলো কঙ্কর নিক্ষেপে তাকবীর। একই বর্ণনায় কঙ্করের আকার নিয়েও কথা এসেছে। কিছু আহলে ইলম বলেছেন, কঙ্কর এমন ছোট হওয়া উচিত যাতে দুই আঙুল দিয়ে নিক্ষেপ করা যায়। ইমাম মালিক (র) বলেন, এর চেয়ে সামান্য বড় কঙ্কর তাঁর কাছে পছন্দনীয়। এই হাদিসে কঙ্কর নিক্ষেপের সময় আল্লাহর বড়ত্ব ঘোষণা এবং কঙ্করের আকার—দুইটি বিষয় আছে। তবে কোনো অতিরিক্ত দোয়া বা আলাদা দাবি এখানে নেই। যারা কঙ্কর নিক্ষেপের তাকবীর, রমীর কঙ্করের আকার এবং হজ্জের রমী নিয়ম জানতে চান, তাদের জন্য এটি সরাসরি উপকারী বর্ণনা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- প্রতিটি কঙ্কর নিক্ষেপের সময় আল্লাহু আকবার বলা সাহাবির আমল হিসেবে এসেছে।
- রমীর কঙ্কর খুব বড় না হওয়া উচিত—হাদিসে ছোট কঙ্করের কথা এসেছে।
- হজ্জের আমলেও আল্লাহর বড়ত্ব ঘোষণা করা হয়।
- আমলের ছোট দিকগুলোও যত্নের সঙ্গে শেখা দরকার।
