২/১৫. অধ্যায়ঃ
লজ্জাস্থান স্পর্শ করলে ওযূ করা
লজ্জাস্থান স্পর্শে ওযূ ওয়াজিব: ইবনু উমার (রাঃ)-এর বক্তব্য
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ৯০
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ৯০
و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ نَافِعٍ أَنَّ عَبْدَ اللهِ بْنَ عُمَرَ كَانَ يَقُولُ، إِذَا مَسَّ أَحَدُكُمْ ذَكَرَهُ فَقَدْ وَجَبَ عَلَيْهِ الْوُضُوءُ.
নাফি’ (র) হতে বর্ণিতঃ
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) বলতেন, তোমাদের কেউ যদি তার লজ্জাস্থান স্পর্শ করে, তবে সে ওযূ করবে, কারণ তার উপর ওযূ ওয়াজিব হয়েছে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৯০-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ)-এর একটি স্পষ্ট কথা এসেছে। তিনি বলতেন, তোমাদের কেউ যদি তার লজ্জাস্থান স্পর্শ করে, তবে সে ওযূ করবে; কারণ তার উপর ওযূ ওয়াজিব হয়েছে। বর্ণনাটি সংক্ষিপ্ত হলেও বিষয়টি পরিষ্কার। মূল আলোচনা হলো লজ্জাস্থান স্পর্শ করলে ওযূ ভঙ্গ হওয়া এবং নতুন করে ওযূ করা। এখানে কোনো অতিরিক্ত ঘটনা নেই; তাই ব্যাখ্যাতেও মূল কথার বাইরে যাওয়া ঠিক নয়। হাদিসটি পবিত্রতা বিষয়ে সতর্ক থাকার শিক্ষা দেয়। নামাজের জন্য ওযূ প্রয়োজন, আর ইবনু উমার (রাঃ)-এর বক্তব্যে দেখা যায়, এমন স্পর্শের পর তিনি ওযূকে জরুরি মনে করতেন। এটি ওযূ ভঙ্গের কারণ জানতে চাওয়া মানুষের জন্য সরাসরি উপকারী বর্ণনা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- লজ্জাস্থান স্পর্শ করলে ওযূ করার কথা বলা হয়েছে।
- ইবনু উমার (রাঃ) এ অবস্থায় ওযূ ওয়াজিব বলেছেন।
- ওযূ ভঙ্গের কারণ জানা নামাজের প্রস্তুতির জন্য জরুরি।
- সংক্ষিপ্ত বর্ণনাও কখনো খুব স্পষ্ট শিক্ষা দেয়।
