২০/৬২. অধ্যায়ঃ
চুল জমাট বাঁধানো
ইহরামে বেণী করা চুল হলে মুণ্ডনের শিক্ষা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ৮৮৫
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ৮৮৫
حَدَّثَنِي يَحْيَى عَنْ مَالِك عَنْ نَافِعٍ عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ عُمَرَ أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ قَالَ مَنْ ضَفَرَ رَأْسَهُ فَلْيَحْلِقْ وَلَا تَشَبَّهُوا بِالتَّلْبِيْدِ.
আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) হতে বর্ণিতঃ
উমার ইবনু খাত্তাব (রা) বলেছেন, (ইহরাম বাঁধার সময়) যে ব্যক্তি মাথার চুল বেণী করে নিবে সে (ইহ্রাম খোলার সময়) যেন এটা কামায়ে ফেলে। ‘তালবীদ’ (আঠাল কোন পদার্থ দ্বারা মাথার চুল জমাট করা) সদৃশ যেন কেউ চুল জমাট না করে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৮৮৫-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় উমার ইবনু খাত্তাব (রা)-এর একটি বক্তব্য এসেছে। তিনি বলেন, ইহরাম বাঁধার সময় যে ব্যক্তি মাথার চুল বেণী করে নেয়, ইহরাম খোলার সময় সে যেন তা কামিয়ে ফেলে। তিনি আরও বলেন, তালবীদের মতো চুল জমাট করার সাদৃশ্য যেন কেউ গ্রহণ না করে। এখানে তালবীদ বলতে আঠালো কোনো পদার্থ দিয়ে চুল জমাট করার বিষয় বোঝানো হয়েছে, যা অনুবাদে স্পষ্ট করা আছে। মূল বিষয় হলো, ইহরামের সময় চুলের বিশেষ অবস্থা তৈরি করলে পরে মুণ্ডনের ব্যাপারটি গুরুত্ব পায়। হাদিসের ভাষা সরাসরি ও সংক্ষিপ্ত। তাই ব্যাখ্যায় এটুকুই বলা নিরাপদ যে উমার (রা) বেণী করা চুলের ক্ষেত্রে মুণ্ডনের নির্দেশ দিয়েছেন এবং তালবীদের মতো চুল জমাট করা থেকে বিরত থাকতে বলেছেন।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ইহরামের সময় চুলের অবস্থা সম্পর্কে সতর্ক থাকা উচিত।
- উমার (রা) বেণী করা চুলের ক্ষেত্রে মুণ্ডনের নির্দেশ দিয়েছেন।
- তালবীদের মতো চুল জমাট করার সাদৃশ্য থেকে বিরত থাকার কথা এসেছে।
