২০/৬১. অধ্যায়ঃ
চুল ছাঁটা
চুল না কামিয়ে তাওয়াফে যিয়ারত করলে কী করণীয়?
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ৮৮৩
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ৮৮৩
و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ نَافِعٍ عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ عُمَرَ أَنَّهُ لَقِيَ رَجُلًا مِنْ أَهْلِهِ يُقَالُ لَهُ الْمُجَبَّرُ قَدْ أَفَاضَ وَلَمْ يَحْلِقْ وَلَمْ يُقَصِّرْ جَهِلَ ذَلِكَ فَأَمَرَهُ عَبْدُ اللهِ أَنْ يَرْجِعَ فَيَحْلِقَ أَوْ يُقَصِّرَ ثُمَّ يَرْجِعَ إِلَى الْبَيْتِ فَيُفِيْضَ.
নাফি’ (র) হতে বর্ণিতঃ
মুজাব্বার নামক কোন এক নিকট-আত্মীয়ের সঙ্গে আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা)-এর সাক্ষাৎ হয়। সে তাওয়াফে যিয়ারত করে গিয়েছিল বটে তবে অজ্ঞতার দরুন মাথার চুল ছাঁটায়নি বা কামায়নি। তাকে তখন আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) পুনরায় মক্কায় গিয়ে চুল কামাতে বা ছাঁটাতে এবং পুনরায় তাওয়াফে যিয়ারত করতে নির্দেশ দেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৮৮৩-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় মুজাব্বার নামের এক নিকট-আত্মীয়ের ঘটনা এসেছে। তিনি তাওয়াফে যিয়ারত করেছিলেন, কিন্তু অজ্ঞতার কারণে মাথার চুল ছাঁটেননি বা কামাননি। আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) তাঁকে নির্দেশ দেন, তিনি যেন আবার মক্কায় ফিরে যান, মাথা কামান বা চুল ছাঁটেন, তারপর আবার কা’বার ঘরে গিয়ে তাওয়াফে যিয়ারত করেন। এখানে মূল বিষয় হলো হজ্জের কাজগুলো নির্দিষ্ট ধারায় ও সতর্কতার সঙ্গে করা। বর্ণনাটি দেখায়, অজ্ঞতার কারণে ভুল হলেও সেটি অবহেলা করে রেখে দেওয়া হয়নি। বরং সংশোধনের জন্য স্পষ্ট পথ বলা হয়েছে। তাই হজ্জের আমল শেখা এবং প্রয়োজনে জিজ্ঞেস করা খুবই জরুরি।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- হজ্জের কাজ অজ্ঞতার কারণে বাদ পড়লেও সংশোধনের চেষ্টা করতে হয়।
- তাওয়াফে যিয়ারতের সঙ্গে চুল কামানো বা ছাঁটার বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে।
- ইবনু উমার (রা) ভুল সংশোধনের জন্য পুনরায় মক্কায় ফিরে যেতে বলেছেন।
- হজ্জের আগে প্রয়োজনীয় নিয়ম জানা নিরাপদ ও উপকারী।
