২০/৬১. অধ্যায়ঃ
চুল ছাঁটা
হজ্জের আগে চুল-দাড়ি না কাটা: ইবনু উমার (রা)-এর আমল ও মালিক (র)-এর মন্তব্য
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ৮৮০
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ৮৮০
حَدَّثَنِي يَحْيَى عَنْ مَالِك عَنْ نَافِعٍ أَنَّ عَبْدَ اللهِ بْنَ عُمَرَ كَانَ إِذَا أَفْطَرَ مِنْ رَمَضَانَ وَهُوَ يُرِيْدُ الْحَجَّ لَمْ يَأْخُذْ مِنْ رَأْسِهِ وَلَا مِنْ لِحْيَتِهِ شَيْئًا حَتَّى يَحُجَّ قَالَ مَالِك لَيْسَ ذَلِكَ عَلَى النَّاسِ.
নাফি’ (র) হতে বর্ণিতঃ
আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) যখন রমযানের রোযা সমাপ্ত করতেন আর ঐ বৎসর হজ্জ করার ইচ্ছা করতেন তখন হজ্জ সমাধা না করা পর্যন্ত মাথার চুল কাটতেন না ও দাড়ি ছাঁটতেন না। মালিক (র) বলেন, এ বিষয়টি ওয়াজিব নয়। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৮৮০-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় নাফি (র) বলেন, আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) যখন রমযানের রোযা শেষ করতেন এবং সেই বছর হজ্জ করার ইচ্ছা করতেন, তখন হজ্জ সম্পন্ন না করা পর্যন্ত মাথার চুল কাটতেন না এবং দাড়ি ছাঁটতেন না। এরপর ইমাম মালিক (র) স্পষ্ট করে বলেন, এই বিষয়টি মানুষের উপর ওয়াজিব নয়। তাই এই হাদিসে দুটি দিক আছে। একদিকে ইবনু উমার (রা)-এর ব্যক্তিগত আমল জানা যায়; অন্যদিকে ইমাম মালিক (র)-এর মন্তব্যে বোঝা যায়, এটিকে সবার জন্য বাধ্যতামূলক মনে করা যাবে না। হজ্জের আগে চুল-দাড়ি না কাটার আমল সম্পর্কে ভারসাম্যপূর্ণ ধারণা এই বর্ণনা থেকে পাওয়া যায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ইবনু উমার (রা) হজ্জের ইচ্ছা করলে রমযানের পর চুল-দাড়ি কাটতেন না।
- ইমাম মালিক (র) বলেছেন, এটি মানুষের উপর ওয়াজিব নয়।
- সাহাবির ব্যক্তিগত আমল ও বাধ্যতামূলক বিধানের পার্থক্য বোঝা জরুরি।
- হজ্জের প্রস্তুতিতে সংযমের আমল দেখা যায়, তবে অতিরিক্ত দাবি করা ঠিক নয়।
