২/১৫. অধ্যায়ঃ
লজ্জাস্থান স্পর্শ করলে ওযূ করা
লজ্জাস্থান স্পর্শ করলে ওযূ: বুসরা বিনত সফওয়ান (রাঃ)-এর বর্ণনা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ৮৮
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ৮৮
حَدَّثَنِي يَحْيَى عَنْ مَالِك عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ أَبِي بَكْرِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرِو بْنِ حَزْمٍ أَنَّهُ سَمِعَ عُرْوَةَ بْنَ الزُّبَيْرِ يَقُولُ، دَخَلْتُ عَلَى مَرْوَانَ بْنِ الْحَكَمِ فَتَذَاكَرْنَا مَا يَكُونُ مِنْهُ الْوُضُوءُ فَقَالَ مَرْوَانُ وَمِنْ مَسِّ الذَّكَرِ الْوُضُوءُ فَقَالَ عُرْوَةُ مَا عَلِمْتُ هَذَا فَقَالَ مَرْوَانُ بْنُ الْحَكَمِ أَخْبَرَتْنِي بُسْرَةُ بِنْتُ صَفْوَانَ أَنَّهَا سَمِعَتْ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ إِذَا مَسَّ أَحَدُكُمْ ذَكَرَهُ فَلْيَتَوَضَّأْ.
আবদুল্লাহ ইবনু আবূ বাকর ইবনু মুহাম্মাদ ইবনু ‘আমর ইবনু হাযম (র) হতে বর্ণিতঃ
তিনি উরওয়াহ ইবনু যুবায়র (র)-কে বলতে শুনেছেন আমি মারওয়ান ইবনু হাকাম (র)-এর নিকট গেলাম, আমরা দু’জনে ওযূ কিসে ওয়াজিব হয় সে বিষয়ে আলোচনা করলাম। মারওয়ান বললেন, লজ্জাস্থান স্পর্শ করলে ওযূ করতে হবে। উরওয়াহ বললেন, আমি তো এটা জানি না। মারওয়ান বললেন, বুসরা বিনত সফওয়ান (রাঃ) আমাকে খবর দিয়েছেন যে, তিনি রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছেন তোমাদের কোন ব্যক্তি লজ্জাস্থান স্পর্শ করলে ওযূ করবে। (সহীহ, আবূ দাঊদ ১৮১, তিরমিযী ৮২, নাসাঈ ১৬৩, ইবনু মাজাহ ৪৭৯, আহমাদ ২৭৩৩৪, আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন [সিলসিলা সহীহাহ ১২৩৫])
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৮৮-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে উরওয়াহ ইবনু যুবায়র (র) ও মারওয়ান ইবনু হাকাম (র)-এর মধ্যে ওযূ কিসে ওয়াজিব হয়, তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। মারওয়ান বলেন, লজ্জাস্থান স্পর্শ করলে ওযূ করতে হবে। উরওয়াহ বলেন, তিনি এ কথা জানেন না। তখন মারওয়ান জানান, বুসরা বিনত সফওয়ান (রাঃ) তাঁকে খবর দিয়েছেন যে, তিনি রাসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছেন, তোমাদের কেউ লজ্জাস্থান স্পর্শ করলে ওযূ করবে। এই বর্ণনার মূল বিষয় হলো, লজ্জাস্থান স্পর্শ করলে ওযূ করার নির্দেশ। হাদিসটি পবিত্রতা ও নামাজের প্রস্তুতি বিষয়ে সরাসরি শিক্ষা দেয়। এখানে আলোচনার ধরন থেকেও বোঝা যায়, সাহাবি ও তাবিয়িরা দ্বীনের মাসআলা যাচাই করে জানতেন।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- লজ্জাস্থান স্পর্শ করলে ওযূ করার নির্দেশ এসেছে।
- ওযূর কারণ নিয়ে আলোচনা ও জিজ্ঞাসা করা জ্ঞান অর্জনের অংশ।
- বুসরা বিনত সফওয়ান (রাঃ)-এর বর্ণনা এ বিষয়ে সরাসরি দলিল হিসেবে এসেছে।
- নামাজের আগে পবিত্রতার বিষয়ে সতর্ক থাকা উচিত।
