২০/৫৯. অধ্যায়ঃ
নাহ্র-এর বর্ণনা
নাহর আগে, তারপর মাথা কামানো: ইয়াওমুন-নাহরের আমলের ক্রম
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ৮৭৭
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ৮৭৭
و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ أَنَّ أَبَاهُ كَانَ يَنْحَرُ بُدْنَهُ قِيَامًا ১৪৭৫-قَالَ مَالِك لَا يَجُوزُ لِأَحَدٍ أَنْ يَحْلِقَ رَأْسَهُ حَتَّى يَنْحَرَ هَدْيَهُ وَلَا يَنْبَغِي لِأَحَدٍ أَنْ يَنْحَرَ قَبْلَ الْفَجْرِ يَوْمَ النَّحْرِ وَإِنَّمَا الْعَمَلُ كُلُّهُ يَوْمَ النَّحْرِ الذَّبْحُ وَلُبْسُ الثِّيَابِ وَإِلْقَاءُ التَّفَثِ وَالْحِلَاقُ لَا يَكُونُ شَيْءٌ مِنْ ذَلِكَ يُفْعَلُ قَبْلَ يَوْمِ النَّحْرِ.
হিশাম ইবনু উরওয়াহ্ (র) হতে বর্ণিতঃ
পিতা উটগুলোকে দাঁড় করিয়ে ঐগুলোর ‘নাহ্র’ করতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)মালিক (র) বলেন, কুরবানী করার পূর্বে মাথা কামানো জায়েয নয়। দশ তারিখের সুবহে সাদিকের পূর্বে কুরবানী করাও জায়েয নয়। কুরবানী করা, কাপড় বদলান, শরীরের ময়লা সাফ করা, মাথা কামান ইত্যাদি বিষয় যিলহজ্জের দশ তারিখে করতে হবে। উহার পূর্বে এই সমস্ত করা জায়েয নয়।
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৮৭৭-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় হিশাম ইবনু উরওয়া বলেন, তাঁর পিতা উটগুলোকে দাঁড় করিয়ে নাহর করতেন। এরপর ইমাম মালিক (র) বলেন, কুরবানী করার আগে মাথা কামানো জায়েয নয়। দশ তারিখের সুবহে সাদিকের আগে কুরবানী করাও জায়েয নয়। তিনি আরও বলেন, কুরবানী করা, কাপড় বদলানো, শরীরের ময়লা দূর করা ও মাথা কামানো—এসব যিলহজ্জের দশ তারিখে করা হবে। এর আগে এগুলো করা যাবে না। এই বর্ণনায় ইয়াওমুন-নাহরের আমলের সময় ও ক্রমের দিকে দৃষ্টি দেওয়া হয়েছে। হজ্জের কাজগুলো শুধু করাই নয়, সঠিক সময়ে করা—এটিও এখানে বড় শিক্ষা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- উট দাঁড় করিয়ে নাহর করার আমল বর্ণনায় এসেছে।
- কুরবানীর আগে মাথা কামানোকে জায়েয বলা হয়নি।
- দশ তারিখের সুবহে সাদিকের আগে কুরবানী না করার কথা এসেছে।
- নাহর, কাপড় বদলানো, পরিচ্ছন্নতা ও মাথা কামানো দশ তারিখের আমল হিসেবে এসেছে।
