২০/৫৭. অধ্যায়ঃ
আরাফাত হতে প্রত্যাবর্তনের সময় কিরূপে এবং কি গতিতে চলা উচিত
বাতনে মুহাসসিরে দ্রুত চলা: ইবনু উমার (রা)-এর আমল
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ৮৭১
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ৮৭১
و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ نَافِعٍ أَنَّ عَبْدَ اللهِ بْنَ عُمَرَ كَانَ يُحَرِّكُ رَاحِلَتَهُ فِي بَطْنِ مُحَسِّرٍ.
নাফি’ (র) হতে বর্ণিতঃ
আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) বাতনে-মুহাস্সির হতে প্রস্তর নিক্ষেপ করার স্থান পর্যন্ত তাঁর উটের গতি দ্রুত করে দিতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৮৭১-এর সারসংক্ষেপ
এই সংক্ষিপ্ত বর্ণনায় নাফি (র) বলেন, আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) বাতনে মুহাসসির থেকে প্রস্তর নিক্ষেপের স্থান পর্যন্ত তাঁর উটের গতি দ্রুত করে দিতেন। হজ্জের যাত্রাপথে বাতনে মুহাসসির একটি নির্দিষ্ট স্থান হিসেবে এসেছে, আর রমীর স্থানের দিকে যাওয়ার সময় তিনি দ্রুত চলতেন। বর্ণনাটি কোনো দীর্ঘ বিধান দেয় না; শুধু একটি সাহাবি আমল জানায়। তাই এর মূল শিক্ষা হলো, হজ্জের কিছু পথে সাহাবিদের নির্দিষ্ট চলার ধরন ছিল। আগের বর্ণনায় আরাফাত থেকে ফেরার সময় নবীজির গতি নিয়েও আলোচনা এসেছে। এই বর্ণনা সেই চলার ধারার সঙ্গে মিল রেখে একটি বাস্তব আমল তুলে ধরে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ইবনু উমার (রা) বাতনে মুহাসসিরে উটের গতি দ্রুত করতেন।
- এই দ্রুত চলা প্রস্তর নিক্ষেপের স্থানের দিকে যাওয়ার পথে ছিল।
- হজ্জের নির্দিষ্ট স্থানের সঙ্গে নির্দিষ্ট আমল যুক্ত হতে পারে।
- সংক্ষিপ্ত বর্ণনা থেকে সীমিত শিক্ষা নেওয়াই নিরাপদ।
