২০/৫৭. অধ্যায়ঃ
আরাফাত হতে প্রত্যাবর্তনের সময় কিরূপে এবং কি গতিতে চলা উচিত
আরাফাত থেকে ফেরার নববী গতি: বিদায় হজ্জের একটি দৃশ্য
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ৮৭০
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ৮৭০
حَدَّثَنِي يَحْيَى عَنْ مَالِك عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ عَنْ أَبِيهِ أَنَّهُ قَالَ سُئِلَ أُسَامَةُ بْنُ زَيْدٍ وَأَنَا جَالِسٌ مَعَهُ كَيْفَ كَانَ يَسِيرُ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي حَجَّةِ الْوَدَاعِ حِينَ دَفَعَ قَالَ كَانَ يَسِيرُ الْعَنَقَ فَإِذَا وَجَدَ فَجْوَةً نَصَّ قَالَ مَالِك قَالَ هِشَامُ بْنُ عُرْوَةَ وَالنَّصُّ فَوْقَ الْعَنَقِ.
হিশাম ইবনু উরওয়াহ্ (র) হতে বর্ণিতঃ
উসামা ইবনু যায়দ (রা)-এর নিকট বসা ছিলাম। তাঁকে তখন জিজ্ঞেস করা হল বিদায় হজ্জের সময় রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আরাফাতের ময়দান হতে প্রত্যাবর্তনের সময় কিরূপ গতিতে উট চালাচ্ছিলেন? তিনি বললেন, দ্রুত চালিয়ে ফিরছিলেন। একটু ফাঁক পাইলে তখন খুবই দ্রুতগতিতে চালাতেন। (বুখারী ১৬৬৬, মুসলিম ১২৮৬)মালিক (র) বলেন, হিশাম (র) বলেছেন, ‘নস’ জাতীয় গতি ‘আনাক’ জাতীয় গতি হতে দ্রুততর। [১]
[১] আরবীতে সামান্য দ্রুত চলাকে ‘আনাক’ এবং তদপেক্ষা দ্রুত চলাকে ‘নস’ বলা হয়।
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৮৭০-এর সারসংক্ষেপ
উসামা ইবনু যায়দ (রা)-কে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, বিদায় হজ্জে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আরাফাত থেকে ফেরার সময় কেমন গতিতে উট চালাচ্ছিলেন। তিনি বলেন, নবীজি দ্রুত গতিতে ফিরছিলেন, আর একটু ফাঁক পেলে আরও দ্রুত চালাতেন। ইমাম মালিক (র) হিশাম (র)-এর ভাষায় উল্লেখ করেছেন, ‘নস’ গতি ‘আনাক’ গতির চেয়ে দ্রুততর। এই বর্ণনা হজ্জের সফরে নবীজি কীভাবে চলেছেন, তার একটি বাস্তব ছবি দেয়। এখানে মূল শিক্ষা হলো, আরাফাত থেকে ফেরার পথে চলার ধরন ছিল নিয়ন্ত্রিত কিন্তু সুযোগ পেলে দ্রুত। এতে ভিড়ের মাঝে পথের অবস্থা দেখে চলার ইঙ্গিতও পাওয়া যায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- বিদায় হজ্জে আরাফাত থেকে ফেরার সময় নবীজির চলার ধরন বর্ণিত হয়েছে।
- তিনি সাধারণভাবে দ্রুত চলতেন এবং ফাঁক পেলে আরও দ্রুত চালাতেন।
- হজ্জের পথে চলার সময় পথের অবস্থা বিবেচনা করা বোঝা যায়।
- বর্ণনাটি নবীজির হজ্জ সফরের একটি নির্দিষ্ট দৃশ্য তুলে ধরে।
