২/১৩. অধ্যায়ঃ
মযী (বের হওয়া)-এর কারণে ওযূ
মযী হলে ওযূ: ইবনু উমার (রাঃ)-এর সহজ উত্তর
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ৮৫
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ৮৫
و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ عَنْ جُنْدُبٍ مَوْلَى عَبْدِ اللهِ بْنِ عَيَّاشٍ أَنَّهُ قَالَ، سَأَلْتُ عَبْدَ اللهِ بْنَ عُمَرَ عَنْ الْمَذْيِ فَقَالَ إِذَا وَجَدْتَهُ فَاغْسِلْ فَرْجَكَ وَتَوَضَّأْ وُضُوءَكَ لِلصَّلَاةِ
জুনদাব (র) হতে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, আমি আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ)-কে মযী বিষয়ে প্রশ্ন করলাম। তিনি বললেন, তুমি উহা প্রাপ্ত হলে তোমার লজ্জাস্থানকে ধুয়ে নাও এবং নামাযের ওযূর মত ওযূ কর। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৮৫-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে একজন ব্যক্তি আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ)-কে মযী সম্পর্কে প্রশ্ন করেন। উত্তরে তিনি বলেন, তুমি উহা পেলে তোমার লজ্জাস্থান ধুয়ে নাও এবং নামাজের ওযূর মতো ওযূ কর। এখানে মযী বের হলে পবিত্রতার বিষয়টি সংক্ষিপ্ত কিন্তু পরিষ্কারভাবে বলা হয়েছে। হাদিসটির ভাষা সহজ: প্রথমে ধোয়া, তারপর ওযূ। এতে বোঝা যায়, নামাজের আগে পবিত্রতা নিয়ে উদাসীন হওয়া ঠিক নয়। আবার হাদিসে যা বলা হয়নি, তা যোগ করাও ঠিক নয়। এখানে গোসলের কথা নেই, বরং লজ্জাস্থান ধোয়া ও নামাজের ওযূর মতো ওযূ করার কথাই এসেছে। তাই মযীর বিধান জানতে চাইলে এই বর্ণনা খুব সরাসরি শিক্ষা দেয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- মযী হলে লজ্জাস্থান ধোয়ার নির্দেশ এসেছে।
- এরপর নামাজের ওযূর মতো ওযূ করতে বলা হয়েছে।
- পবিত্রতা নিয়ে প্রশ্ন করা লজ্জার নয়; জানা দরকার।
- হাদিসের ভাষা সংক্ষিপ্ত হলেও করণীয় স্পষ্ট করে দেয়।
