২০/৪৫. অধ্যায়ঃ
কোন্ ধরনের পশু হাদ্য়ীর উপযুক্ত
হাদয়ী উষ্ট্রীর বাচ্চা হলে করণীয়: ইবনু উমার (রা.)-এর কথা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ৮৩৭
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ৮৩৭
و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ نَافِعٍ أَنَّ عَبْدَ اللهِ بْنَ عُمَرَ كَانَ يَقُوْلُ إِذَا نُتِجَتْ النَّاقَةُ فَلْيُحْمَلْ وَلَدُهَا حَتَّى يُنْحَرَ مَعَهَا فَإِنْ لَمْ يُوجَدْ لَهُ مَحْمَلٌ حُمِلَ عَلَى أُمِّهِ حَتَّى يُنْحَرَ مَعَهَا.
নাফি’ (র) হতে বর্ণিতঃ
আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) বলেন, কুরবানীর উদ্দেশ্যে প্রেরিত উষ্ট্রীর যদি বাচ্চা পয়দা হয় তবে মার সঙ্গে বাচ্চাটিকেও কুরবানীর জন্য নিয়ে যাওয়া হবে। লইয়া যাওয়ার জন্য যদি কোন যানবাহন না পাওয়া যায় তবে বাচ্চাটিকে মার উপর চাপিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে, যাতে মার সাথে বাচ্চাটিকে নাহর করা যায়। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৮৩৭-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা.) হাদয়ী হিসেবে নির্ধারিত উষ্ট্রীর বাচ্চা হলে কী করা হবে, তা বলেছেন। তাঁর বক্তব্য হলো, উষ্ট্রীটির বাচ্চা হলে সেই বাচ্চাকেও মায়ের সঙ্গে কুরবানীর জন্য নিয়ে যাওয়া হবে। যদি আলাদা করে নিয়ে যাওয়ার কোনো বাহন না পাওয়া যায়, তাহলে বাচ্চাটিকে মায়ের উপর চাপিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে, যাতে মায়ের সঙ্গে তাকেও নাহর করা যায়। হাদিসটি হাদয়ী কুরবানীর পশু নিয়ে একটি নির্দিষ্ট পরিস্থিতির কথা বলে। এখানে পশুর মালিকানা বা সাধারণ কুরবানীর সব বিধান নয়, বরং হাদয়ী উষ্ট্রীর বাচ্চা হওয়ার অবস্থাটি আলোচিত। তাই ব্যাখ্যার মূল কথা হলো: আল্লাহর জন্য নির্ধারিত হাদয়ীর সঙ্গে সম্পর্কিত বাচ্চাটিও সেই উৎসর্গের ধারায় যুক্ত করা হয়েছে—ইবনু উমার (রা.)-এর বক্তব্য অনুযায়ী।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- হাদয়ী উষ্ট্রীর বাচ্চা হলে তাকে মায়ের সঙ্গে নেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
- আলাদা বাহন না থাকলে বাচ্চাকে মায়ের উপর চাপিয়ে নেওয়ার কথা এসেছে।
- বাচ্চাটিকেও মায়ের সঙ্গে নাহর করার নির্দেশনা ইবনু উমার (রা.) থেকে এসেছে।
- হাদিসটি একটি নির্দিষ্ট হাদয়ী পরিস্থিতি নিয়ে, সাধারণ সব কুরবানীর বিধান নয়।
