২০/৪৪. অধ্যায়ঃ
মিনা’র দিবসগুলোর রোযা
আইয়ামে তাশরীক: খাওয়া, পান করা ও আল্লাহর স্মরণের দিন
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ৮২৯
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ৮২৯
و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ ابْنِ شِهَابٍ أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بَعَثَ عَبْدَ اللهِ بْنَ حُذَافَةَ أَيَّامَ مِنًى يَطُوفُ يَقُولُ إِنَّمَا هِيَ أَيَّامُ أَكْلٍ وَشُرْبٍ وَذِكْرِ اللهِ.
ইবনু শিহাব (র) হতে বর্ণিতঃ
মিনার দিবসগুলোতে আবদুল্লাহ্ ইবনু হুযাফা (রা)-কে রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ঘুরে ফিরে ঘোষণা প্রচার করতে বললেন, খাওয়া, পান করা আর আল্লাহর স্মরণের জন্য এই দিনগুলো। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৮২৯-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে মিনার দিনগুলো সম্পর্কে নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের একটি ঘোষণা এসেছে। তিনি আবদুল্লাহ ইবনু হুযাফা (রা.)-কে বলেছিলেন, তিনি যেন ঘুরে ঘুরে ঘোষণা করেন—এই দিনগুলো খাওয়া, পান করা এবং আল্লাহর স্মরণের দিন। এই বর্ণনা আইয়ামে তাশরীকের মূল ভাবটি সহজ করে দেয়। এখানে রোজা রাখার কথা নয়; বরং আল্লাহর দেওয়া খাবার-পানীয় গ্রহণ করা এবং তাঁর স্মরণ করা সামনে এসেছে। তাই আইয়ামে তাশরীক রোজা নিষেধের সঙ্গে এই হাদিস সুন্দরভাবে মিল রয়েছে। হজ্জের পরিবেশে মানুষ যেন এই দিনগুলোকে কেবল ভোজনের দিন না বানায়, আবার রোজার দিনও না বানায়; বরং খাওয়া-পানার সঙ্গে আল্লাহর জিকির রাখে—এটাই হাদিসের সরাসরি শিক্ষা। এতে আনন্দের মাঝেও আল্লাহর স্মরণ হারিয়ে না ফেলার শিক্ষা রয়েছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- মিনার দিনগুলো খাওয়া, পান করা ও আল্লাহর স্মরণের দিন হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
- তাশরীকের দিনগুলোতে জিকিরের দিকটি বিশেষভাবে মনে রাখা দরকার।
- খাওয়া-পানাও আল্লাহর স্মরণ থেকে আলাদা হওয়া উচিত নয়।
- এই বর্ণনা মিনার দিনগুলোতে রোজা না রাখার অর্থ বুঝতে সাহায্য করে।
