২০/৪০. অধ্যায়ঃ
তাওয়াফের বিবিধ রেওয়ায়ত
সময় সংকীর্ণ হলে হজের আমল: আরাফাত, তাওয়াফ ও সায়ী
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ৮১৯
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ৮১৯
و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك أَنَّهُ بَلَغَهُ أَنَّ سَعْدَ بْنَ أَبِي وَقَّاصٍ كَانَ إِذَا دَخَلَ مَكَّةَ مُرَاهِقًا خَرَجَ إِلَى عَرَفَةَ قَبْلَ أَنْ يَطُوفَ بِالْبَيْتِ وَبَيْنَ الصَّفَا وَالْمَرْوَةِ ثُمَّ يَطُوفُ بَعْدَ أَنْ يَرْجِعَ قَالَ مَالِك وَذَلِكَ وَاسِعٌ إِنْ شَاءَ اللهُ و১৩৭৪-سُئِلَ مَالِك هَلْ يَقِفُ الرَّجُلُ فِي الطَّوَافِ بِالْبَيْتِ الْوَاجِبِ عَلَيْهِ يَتَحَدَّثُ مَعَ الرَّجُلِ فَقَالَ لَا أُحِبُّ ذَلِكَ لَهُ ১৩৭৫- قَالَ مَالِك لَا يَطُوفُ أَحَدٌ بِالْبَيْتِ وَلَا بَيْنَ الصَّفَا وَالْمَرْوَةِ إِلَّا وَهُوَ طَاهِرٌ.
মালিক (র) হতে বর্ণিতঃ
তাঁর নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, সা’দ ইবনু আবি ওয়াককাস (রা) মক্কায় পৌঁছে যদি দেখতেন নয় তারিখ অতি নিকটবর্তী (সময় অতি অল্প), তবে তাওয়াফ ও সায়ী করার পূর্বেই আরাফাতে চলে যেতেন এবং সেখান হতে ফিরবার পর তাওয়াফ করতেন। মালিক (র) বলেন, সময় সংকীর্ণ হলে এইরূপ করা (আরাফাতে প্রথমে যাওয়া) জায়েয। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)মালিক (র)-কে জিজ্ঞেস করা হল ওয়াজিব তাওয়াফ আদায় করার সময় কারো সাথে কথা বলার জন্য কি থেমে যাওয়া বৈধ ? তিনি বললেন, আমি তা পছন্দ করি না।মালিক (র) বলেন, তাওয়াফ এবং সাফা-মারওয়ার সা’য়ী পবিত্রতার সহিত করা উচিত।
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৮১৯-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় এসেছে, সা’দ ইবনু আবি ওয়াককাস (রা) মক্কায় পৌঁছে যদি দেখতেন নয় তারিখ খুব কাছে, তাহলে তাওয়াফ ও সায়ী করার আগে আরাফাতে চলে যেতেন। পরে আরাফাত থেকে ফিরে এসে তাওয়াফ করতেন। ইমাম মালিক (র) বলেন, সময় সংকীর্ণ হলে এভাবে করা জায়েয। এরপর তাঁকে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, ওয়াজিব তাওয়াফের সময় কারও সঙ্গে কথা বলার জন্য থেমে যাওয়া তিনি পছন্দ করেন না। তিনি আরও বলেন, তাওয়াফ ও সাফা-মারওয়ার সায়ী পবিত্রতার সঙ্গে করা উচিত। তাই হাদিসটির মূল শিক্ষা হলো: সময় কম হলে হজের বড় সময়ভিত্তিক আমলকে গুরুত্ব দেওয়া, তাওয়াফে অপ্রয়োজনীয় বিরতি এড়ানো, এবং পবিত্রতা বজায় রাখা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সময় কম হলে আরাফাতে আগে যাওয়ার একটি আমল বর্ণিত হয়েছে।
- ফিরে এসে তাওয়াফ করা যাবে—এ কথা ইমাম মালিক (র) বলেছেন।
- ওয়াজিব তাওয়াফে কথা বলার জন্য থেমে যাওয়া পছন্দনীয় নয়।
- তাওয়াফ ও সায়ী পবিত্রতার সঙ্গে করা উচিত।
