২০/৩৮. অধ্যায়ঃ
ফজর ও আসরের পর তাওয়াফের নামায আদায় করা
আসরের পর তাওয়াফ: ইবনু আব্বাস (রা)-এর দেখা আমল
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ৮১২
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ৮১২
- و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ الْمَكِّيِّ أَنَّهُ قَالَ لَقَدْ رَأَيْتُ عَبْدَ اللهِ بْنَ عَبَّاسٍ يَطُوفُ بَعْدَ صَلَاةِ الْعَصْرِ ثُمَّ يَدْخُلُ حُجْرَتَهُ فَلَا أَدْرِي مَا يَصْنَعُ.
আবু যুবায়র মক্কী (র) হতে বর্ণিতঃ
আবদুল্লাহ্ ইবনু আব্বাস (রা)-কে আসরের পর তাওয়াফ করতে দেখতে পেলাম। তাওয়াফের পর হুজরায় চলে গেলেন। জানি না সেখানে তিনি কি করেছিলেন। [১] (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
[১] হুজরায় প্রবেশ করে সে সময় তাওয়াফের দুই রাক’আত নামায আদায় করেছিলেন, না সূর্যাস্তের পরে আদায় করেছিলেন তা জানা নাই।
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৮১২-এর সারসংক্ষেপ
এই সংক্ষিপ্ত বর্ণনায় আবু যুবাইর মাক্কী (র) বলেন, তিনি আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রা)-কে আসরের পর তাওয়াফ করতে দেখেছেন। তাওয়াফের পর তিনি হুজরায় প্রবেশ করেন। বর্ণনাকারী স্পষ্টভাবে বলেন, সেখানে তিনি কী করেছেন তা তিনি জানেন না। এই সততা খুব গুরুত্বপূর্ণ। কারণ হাদিস ব্যাখ্যার সময় যতটুকু জানা আছে, ততটুকুই বলা উচিত। এখানে আসরের পর তাওয়াফের ঘটনা আছে, কিন্তু তাওয়াফের পর তিনি কী নামায পড়েছেন বা পড়েননি—এ বিষয়ে বর্ণনাকারী নিশ্চিত নন। তাই এই হাদিস থেকে মূল শিক্ষা হলো দেখা আমলকে ঠিকভাবে বলা, আর অজানা বিষয়কে অজানা বলা। তাওয়াফের সময় সম্পর্কিত আলোচনায় এই বর্ণনা সংযতভাবে ব্যবহার করা উচিত।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ইবনু আব্বাস (রা)-কে আসরের পর তাওয়াফ করতে দেখা গেছে।
- বর্ণনাকারী অজানা বিষয় সম্পর্কে অনুমান করেননি।
- হাদিস বোঝার সময় নিশ্চিত তথ্য ও অনুমান আলাদা রাখা দরকার।
- তাওয়াফের সময় নিয়ে আলোচনা করতে সংযম দরকার।
