২০/৩৫. অধ্যায়ঃ
তাওয়াফ করার সময় ‘ইস্তিলাম’ [১] করা
রুকনে ইয়ামানী ইস্তিলাম: তাওয়াফে রুকন স্পর্শের আদব
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ৮০৮
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ৮০৮
- و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ أَنَّ أَبَاهُ كَانَ إِذَا طَافَ بِالْبَيْتِ يَسْتَلِمُ الْأَرْكَانَ كُلَّهَا وَكَانَ لَا يَدَعُ الْيَمَانِيَ إِلَّا أَنْ يُغْلَبَ عَلَيْهِ.
হিশাম ইবনু উরওয়াহ্ (র) হতে বর্ণিতঃ
হিশাম ইবনু উরওয়াহ্ (র) বর্ণনা করেন তাঁর পিতা উরওয়া বায়তুল্লাহর তাওয়াফ করার সময় সকল রুকনই ছুঁতেন। বিশেষত একান্ত বাধ্য না হলে রুকনে ইয়ামানীর ইস্তিলাম পরিত্যাগ করতেন না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৮০৮-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় হিশাম ইবনু উরওয়াহ (র) বলেন, তাঁর পিতা উরওয়া (র) বায়তুল্লাহ তাওয়াফের সময় সব রুকন স্পর্শ করতেন। বিশেষ করে তিনি রুকনে ইয়ামানী ইস্তিলাম একান্ত বাধ্য না হলে ছাড়তেন না। তাই হাদিসটির মূল বিষয় হলো তাওয়াফে রুকন স্পর্শ এবং রুকনে ইয়ামানীর প্রতি বিশেষ খেয়াল। এখানে আমলের ভাষা খুব সংযত: তিনি করতেন, আর বাধ্য না হলে ছাড়তেন না। এতে বোঝা যায়, তাওয়াফ শুধু চক্কর পূর্ণ করা নয়; বরং বায়তুল্লাহর নির্দিষ্ট অংশগুলোর সঙ্গে বর্ণিত আদবও জড়িত। তবে বর্ণনার বাইরে গিয়ে সব রুকন সম্পর্কে একই স্তরের আলাদা বিধান তৈরি করা ঠিক হবে না। এই হাদিস তাওয়াফের সময় মনোযোগ ও আদব শেখায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- তাওয়াফে রুকন স্পর্শের আমল এখানে বর্ণিত হয়েছে।
- রুকনে ইয়ামানী ইস্তিলামে বিশেষ গুরুত্ব দেখা যায়।
- বাধা থাকলে আমলে সহজতার ইঙ্গিত পাওয়া যায়।
- তাওয়াফে শুধু হাঁটা নয়, আদব ও মনোযোগও দরকার।
