২০/৩৪. অধ্যায়ঃ
তাওয়াফের সময় রমল করা (কিছুটা দ্রুত হাঁটা)
তাওয়াফের দোয়া ও রমল: নিচু স্বরে আল্লাহকে স্মরণ
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ৮০৩
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ৮০৩
و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ أَنَّ أَبَاهُ كَانَ إِذَا طَافَ بِالْبَيْتِ يَسْعَى الْأَشْوَاطَ الثَّلَاثَةَ يَقُولُ اللهُمَّ لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَا وَأَنْتَ تُحْيِ بَعْدَ مَا أَمَتَّا يَخْفِضُ صَوْتَهُ بِذَلِكَ.
হিশাম ইবনু উরওয়াহ্ (র) হতে বর্ণিতঃ
তাঁর পিতা যখন বায়তুল্লাহ্ তাওয়াফ করতেন তখন তিন তাওয়াফে দৌড়িয়ে দৌড়িয়ে চলতেন এবং এই দু’আ পড়তেনاَللّٰهُمَّ لَاۤ إِلٰهَ إِلَّا أَنْتَا وَأَنْتَ تُحْيِ بَعْدَ مَا أَمَتَّا [২]
[২] ‘হে আল্লাহ্, তুমি ছাড়া আর কোন ইলাহ্ নেই, আর মৃত্যুর পর আমাদের যিন্দা করবে তুমিই।’
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৮০৩-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় হিশাম ইবনু উরওয়াহ (র) তাঁর পিতার তাওয়াফের একটি আমল বলেছেন। তাঁর পিতা বায়তুল্লাহ তাওয়াফের সময় প্রথম তিন চক্করে দৌড়ের মতো দ্রুত চলতেন এবং একটি দোয়া পড়তেন। দোয়াটির অর্থের ভাব হলো, আল্লাহ ছাড়া কোনো ইলাহ নেই, তিনিই মৃত্যুর পর জীবিত করেন। বর্ণনায় আরও এসেছে, তিনি এই দোয়া নিচু স্বরে পড়তেন। তাই এ হাদিসে তাওয়াফের দোয়া, তাওয়াফে রমল এবং আদব—সব একসঙ্গে দেখা যায়। এখানে চক্রভিত্তিক কোনো নতুন নিয়ম বানানোর সুযোগ নেই; বরং বর্ণিত আমলটুকুই মূল শিক্ষা। তাওয়াফে আল্লাহর স্মরণ থাকবে, তবে তা এমনভাবে হবে যাতে নিজের মনোযোগ থাকে এবং অন্যদের কষ্ট না হয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- তাওয়াফের সময় আল্লাহর একত্ব স্মরণ করা সুন্দর আমল।
- প্রথম তিন চক্করে দ্রুত চলার আমল এখানে বর্ণিত হয়েছে।
- দোয়া নিচু স্বরে পড়া অন্যদের মনোযোগের প্রতি খেয়াল রাখার ইঙ্গিত দেয়।
- হাদিসে যতটুকু এসেছে, ব্যাখ্যাতেও ততটুকুতেই সীমাবদ্ধ থাকা উচিত।
