২/১১. অধ্যায়ঃ
নাক হতে রক্ত প্রবাহিত হলে কি করতে হয় তার বর্ণনা
নাক দিয়ে রক্ত বের হলেও ওযূ না করা: সাঈদের আমল
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ৭৯
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ৭৯
حَدَّثَنِي يَحْيَى عَنْ مَالِك عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ حَرْمَلَةَ الْأَسْلَمِيِّ أَنَّهُ قَالَ رَأَيْتُ سَعِيدَ بْنَ الْمُسَيَّبِ يَرْعُفُ فَيَخْرُجُ مِنْهُ الدَّمُ حَتَّى تَخْتَضِبَ أَصَابِعُهُ مِنْ الدَّمِ الَّذِي يَخْرُجُ مِنْ أَنْفِهِ ثُمَّ يُصَلِّي وَلَا يَتَوَضَّأُ.
আবদুর রহমান ইবনু হারমালা আসলামী (র) হতে বর্ণিতঃ
আমি সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র)-কে দেখেছি। নাকসীরের কারণে তাঁর নাক হতে রক্ত প্রবাহিত হচ্ছিল, এমনকি তাঁর নাক হতে বের হওয়া রক্তের দ্বারা তাঁর আঙ্গুল রঞ্জিত হয়ে গেল। অতঃপর তিনি নামায আদায় করলেন অথচ অযূ করলেন না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৭৯-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র)-এর আরেকটি আমল এসেছে। তাঁর নাক দিয়ে নাকসীরের রক্ত প্রবাহিত হচ্ছিল, এমনকি সেই রক্তে তাঁর আঙুল রঞ্জিত হয়ে যায়। এরপর তিনি নামাজ আদায় করেন, কিন্তু ওযূ করেননি। এই বর্ণনা আগের কিছু বর্ণনার সঙ্গে পড়লে বোঝা যায়, নাক দিয়ে রক্ত বের হওয়ার বিষয়ে সাহাবী ও তাবেঈদের আমলে ভিন্ন দৃষ্টান্ত পাওয়া যায়। তাই এখানে অতিরিক্ত কড়া ভাষায় কোনো একক সিদ্ধান্ত দেওয়া ঠিক নয়। মূল কথা হলো, বর্ণনাটিতে ওযূ না করার একটি বাস্তব আমল এসেছে। পবিত্রতার আলোচনায় এমন বর্ণনা ফিকহি আলোচনার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। তাই পাঠকের জন্য ভালো হলো, এই বর্ণনাকে নিজের মতো বড় করে না বলা। বরং এটিকে একটি নির্দিষ্ট আমল হিসেবে বোঝা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- নাকসীরের বিষয়ে ভিন্ন ভিন্ন আমল পাওয়া যায়।
- এই বর্ণনায় সাঈদ (র) রক্ত বের হওয়ার পরও ওযূ করেননি।
- হাদিসের ভাষ্য থেকে বেশি দাবি না করা উচিত।
