২০/২৮. অধ্যায়ঃ
ইহরাম অবস্থায় কোন্ ধরনের প্রাণী হত্যা করা জায়েয
হারাম শরীফে পাঁচ ফাসিক প্রাণী: ইঁদুর, বিচ্ছু, কাক, চিল ও হিংস্র কুকুর
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ৭৮৪
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ৭৮৪
و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ عَنْ أَبِيْهِ أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ خَمْسٌ فَوَاسِقُ يُقْتَلْنَ فِي الْحَرَمِ الْفَأْرَةُ وَالْعَقْرَبُ وَالْغُرَابُ وَالْحِدَأَةُ وَالْكَلْبُ الْعَقُوْرُ.
হিশাম ইবনু উরওয়াহ্ (র) হতে বর্ণিতঃ
হিশাম ইবনু উরওয়াহ্ (র) তাঁর পিতা হতে বর্ণনা করেন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, পাঁচ প্রকার প্রাণী ফাসিক। এগুলো হারাম শরীফের ভিতর ও বাহিরে যেকোন স্থানে পাওয়া গেলে মেরে ফেলা উচিত; যথা ইঁদুর, বিচ্ছু, কাক, চিল ও হিংস্র কুকুর। (সহীহ, মুসলিম ১১৯৮)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৭৮৪-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় পাঁচ প্রকার প্রাণীকে ফাসিক বলা হয়েছে এবং হারাম শরীফের ভিতরে ও বাইরে এগুলো পাওয়া গেলে মেরে ফেলার কথা এসেছে। প্রাণীগুলো হলো ইঁদুর, বিচ্ছু, কাক, চিল ও হিংস্র কুকুর। এখানে হারাম শরীফের পবিত্রতা ও মানুষের নিরাপত্তা—দুইটি বিষয় বোঝা যায়। সাধারণভাবে হারাম এলাকায় প্রাণী হত্যা বিষয়ে সতর্কতা আছে, কিন্তু এই পাঁচ প্রাণীর ক্ষেত্রে আলাদা নির্দেশ এসেছে। তাই হারাম শরীফে ক্ষতিকর প্রাণী, ইহরামে প্রাণী হত্যা এবং হজ্জের নিরাপত্তা বিষয়ে এই হাদিস গুরুত্বপূর্ণ। তবে এর বাইরে অন্য প্রাণী নিয়ে অতিরিক্ত সিদ্ধান্ত এই হাদিস থেকে টেনে আনা ঠিক নয়; এখানে শুধু নির্দিষ্ট প্রাণীর কথাই বলা হয়েছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- হারাম শরীফে সাধারণ নিয়মের মাঝেও নির্দিষ্ট ক্ষতিকর প্রাণীর জন্য আলাদা হুকুম আছে।
- হাদিসে পাঁচ প্রাণীর নাম স্পষ্টভাবে এসেছে।
- মানুষের ক্ষতি থেকে বাঁচার বিষয়টিও শরীয়তের বিধানে গুরুত্ব পায়।
- নির্দিষ্ট বর্ণনা থেকে নির্দিষ্ট শিক্ষাই নেওয়া উচিত।
