২০/২৮. অধ্যায়ঃ
ইহরাম অবস্থায় কোন্ ধরনের প্রাণী হত্যা করা জায়েয
ইহরাম অবস্থায় ক্ষতিকর প্রাণী হত্যা: গুনাহ নেই এমন পাঁচ প্রাণী
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ৭৮৩
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ৭৮৩
و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ دِينَارٍ عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ عُمَرَ أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ خَمْسٌ مِنْ الدَّوَابِّ مَنْ قَتَلَهُنَّ وَهُوَ مُحْرِمٌ فَلَا جُنَاحَ عَلَيْهِ الْعَقْرَبُ وَالْفَأْرَةُ وَالْغُرَابُ وَالْحِدَأَةُ وَالْكَلْبُ الْعَقُورُ.
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) হতে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, পাঁচ ধরনের প্রাণী ইহরাম অবস্থায় যদি কেউ হত্যা করে, তবে তার কোন গুনাহ্ হবে না, যথা বিচ্ছু, ইঁদুর, হিংস্র কুকুর, চিল ও কাক। (বুখারী ৩৩১৫, মুসলিম ১২০০)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৭৮৩-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইহরাম অবস্থায় পাঁচ ধরনের প্রাণী হত্যার বিষয়ে অনুমতি দিয়েছেন। এখানে বলা হয়েছে, কেউ ইহরামে থাকলেও বিচ্ছু, ইঁদুর, হিংস্র কুকুর, চিল ও কাক হত্যা করলে তার কোনো গুনাহ নেই। ইহরামে শিকার নিষেধ, কিন্তু এই প্রাণীগুলোকে আলাদা করে উল্লেখ করা হয়েছে। কারণ এগুলো ক্ষতি করতে পারে বা বিরক্তির কারণ হতে পারে। তাই মুহরিমের জন্য প্রাণী হত্যা বিষয়ে এই হাদিস ভারসাম্য শেখায়। একদিকে ইহরামের সম্মান রক্ষা, অন্যদিকে ক্ষতিকর প্রাণী থেকে বাঁচার সুযোগ—দুই দিকই এখানে দেখা যায়। হজ্জ ও উমরার সময় এই মাসআলা জানা জরুরি।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ইহরামের নিষেধের মাঝেও ক্ষতিকর প্রাণীর ক্ষেত্রে সীমিত অনুমতি আছে।
- বিচ্ছু, ইঁদুর, হিংস্র কুকুর, চিল ও কাক স্পষ্টভাবে উল্লেখিত।
- হজ্জে নিরাপত্তা ও ইহরামের আদব—দুই বিষয়ই গুরুত্ব পায়।
- যে প্রাণীর কথা হাদিসে এসেছে, সেটি নিয়ে সন্দেহ না করে সহজভাবে আমল করা উচিত।
