২০/২৪. অধ্যায়ঃ
কোন ধরনের শিকারকৃত বস্তু মুহরিম খেতে পারে
আবূ কাতাদা রা.-এর শিকার: অবশিষ্ট গোশত নিয়ে প্রশ্ন
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ৭৭২
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ৭৭২
و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ أَنَّ عَطَاءَ بْنَ يَسَارٍ أَخْبَرَهُ عَنْ أَبِي قَتَادَةَ فِي الْحِمَارِ الْوَحْشِيِّ مِثْلَ حَدِيثِ أَبِي النَّضْرِ إِلَّا أَنَّ فِي حَدِيثِ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ هَلْ مَعَكُمْ مِنْ لَحْمِهِ شَيْءٌ.
বর্ণনাকারী হতে বর্ণিতঃ
‘আতা ইবনু ইয়াসার (র) আবূ কাতাদা (রা)-র বন্য গাধা শিকার সম্পর্কে আবূন্ নাযরের হাদীসটির মতই বর্ণনা করেছেন। তবে যায়দ ইবনু আসলাম (র) বর্ণিত হাদীসে শিকার সংক্রান্ত ঘটনায় নিম্নোক্ত বাক্যটি রয়েছে যে, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তখন বলেছেন, উহার কোন গোশত অবশিষ্ট আছে কি? (বুখারী ৫৪৯১, মুসলিম ১১৯৬)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৭৭২-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসের মূল বিষয় হলো আবূ কাতাদা রা.-এর শিকার করা বন্য গাধার গোশত। ‘আতা ইবনু ইয়াসার র. আগের বর্ণনার মতো একই ঘটনা বর্ণনা করেছেন। তবে যায়দ ইবনু আসলাম র.-এর বর্ণনায় একটি অতিরিক্ত বাক্য এসেছে—রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم জিজ্ঞেস করেছিলেন, উহার কোনো গোশত অবশিষ্ট আছে কি? এই ছোট বাক্যটি ঘটনার একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক দেখায়। শুধু খাওয়া হয়েছে কি না তা নয়, অবশিষ্ট গোশতও আলোচনায় এসেছে। হাদিসটি বোঝায়, মুহরিমদের শিকারের গোশত নিয়ে দ্বিধা হলে বিষয়টি রাসূল صلى الله عليه وسلم-এর কাছে পেশ করা হয়েছিল। ফলে ইহরাম, শিকার ও খাদ্যের বিধান বোঝার ক্ষেত্রে এই বর্ণনা আগের ঘটনার পরিপূরক।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- একই ঘটনার ভিন্ন বর্ণনায় অতিরিক্ত তথ্য থাকতে পারে।
- শিকারের গোশত নিয়ে সন্দেহ হলে জিজ্ঞেস করা সঠিক পদ্ধতি।
- ইহরামের বিধানে ছোট তথ্যও বুঝে চলা দরকার।
