২০/২৪. অধ্যায়ঃ
কোন ধরনের শিকারকৃত বস্তু মুহরিম খেতে পারে
ইহরামে শুকনা গোশত: পাথেয় হিসেবে হরিণের গোশতের বর্ণনা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ৭৭১
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ৭৭১
و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ عَنْ أَبِيهِ أَنَّ الزُّبَيْرَ بْنَ الْعَوَّامِ كَانَ يَتَزَوَّدُ صَفِيفَ الظِّبَاءِ وَهُوَ مُحْرِمٌ قَالَ مَالِك وَالصَّفِيفُ الْقَدِيدُ.
উরওয়াহ্ ইবনু যুবায়র (র) হতে বর্ণিতঃ
যুবায়র ইবনু আওয়াম (রা) ইহরাম অবস্থায় পাথেয় হিসেবে হরিণের ভুনা গোশত সঙ্গে নিতেন। মালিক (র) বলেন, সফীফ অর্থ হল ‘কাদীদ’ অর্থাৎ শুকনা গোশত। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৭৭১-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসের মূল বিষয় হলো ইহরাম অবস্থায় শিকারের গোশত পাথেয় হিসেবে রাখা। বর্ণনায় এসেছে, যুবায়র ইবনু আওয়াম রা. ইহরাম অবস্থায় হরিণের ভুনা বা শুকনা গোশত সঙ্গে নিতেন। ইমাম মালিক র. ব্যাখ্যা করেছেন, সফীফ অর্থ হলো কাদীদ, অর্থাৎ শুকনা গোশত। এই হাদিসে নতুন করে শিকার করার কথা নেই; বরং আগে থেকে সঙ্গে নেওয়া শুকনা গোশতের কথা এসেছে। তাই এটি ইহরামের শিকার বিধানের আলোচনায় একটি আলাদা দিক দেখায়। হজ্জ-উমরার সফরে খাবারের প্রস্তুতি, পাথেয় এবং শিকারের গোশত সম্পর্কে জানতে এই বর্ণনা প্রাসঙ্গিক। হাদিসের সীমা হলো—যুবায়র রা.-এর আমল এবং শব্দের অর্থ।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ইহরাম অবস্থায় আগে থেকে থাকা শুকনা গোশত পাথেয় হিসেবে নেওয়ার বর্ণনা পাওয়া যায়।
- নতুন শিকার করা আর পূর্বের পাথেয়—দুই বিষয় এক নয়।
- হাদিসের শব্দের অর্থ বোঝা বিষয়টি বুঝতে সাহায্য করে।
