২০/২১. অধ্যায়ঃ
উমরা সম্পর্কীয় বিবিধ আহকাম
উমরার ফজিলত: গুনাহের কাফফারা ও মকবুল হজ্জের পুরস্কার
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ৭৫৯
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ৭৫৯
حَدَّثَنِي يَحْيَى عَنْ مَالِك عَنْ سُمَيٍّ مَوْلَى أَبِي بَكْرِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَنْ أَبِي صَالِحٍ السَّمَّانِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ الْعُمْرَةُ إِلَى الْعُمْرَةِ كَفَّارَةٌ لِمَا بَيْنَهُمَا وَالْحَجُّ الْمَبْرُورُ لَيْسَ لَهُ جَزَاءٌ إِلَّا الْجَنَّةُ.
আবূ হুরায়রা (রা) হতে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, এক উমরা আরেক উমরার মধ্যবর্তী গুনাহসমূহের জন্য কাফফারাস্বরূপ। জান্নাতই মকবুল হজ্জের প্রতিবাদ। (বুখারী ১৭৭৩, মুসলিম ১৩৪৯)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৭৫৯-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে উমরা ও মকবুল হজ্জের বড় ফজিলত খুব সংক্ষিপ্তভাবে বলা হয়েছে। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, এক উমরা আরেক উমরার মধ্যবর্তী গুনাহসমূহের কাফফারা। আর মকবুল হজ্জের প্রতিদান জান্নাত ছাড়া আর কিছু নয়। এখানে দুটি বিষয় আলাদা করে বোঝা দরকার। উমরার ফজিলত বলা হয়েছে দুই উমরার মাঝের গুনাহের কাফফারা হিসেবে। আর হজ্জের ক্ষেত্রে বলা হয়েছে মকবুল হজ্জ—অর্থাৎ গ্রহণযোগ্য হজ্জ। তাই শুধু বাহ্যিক সফর নয়, আমলটি আল্লাহর কাছে কবুল হওয়ার বিষয়ও গুরুত্বপূর্ণ। যারা উমরার ফজিলত, মকবুল হজ্জের প্রতিদান বা হজ্জ-উমরার সওয়াব সম্পর্কে জানতে চান, এই হাদিস তাদের জন্য খুব শক্তিশালী উৎস।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- এক উমরা আরেক উমরার মাঝের গুনাহের কাফফারা হিসেবে উল্লেখ হয়েছে।
- মকবুল হজ্জের প্রতিদান জান্নাত বলা হয়েছে।
- হজ্জ ও উমরার ক্ষেত্রে আমল কবুল হওয়া বড় বিষয়।
