২০/১৮. অধ্যায়ঃ
উমরার মধ্যে কোন সময় লাব্বায়কা বলা বন্ধ করা যাবে
উমরায় তালবিয়া কখন বন্ধ করতে হয়?
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ৭৫৩
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ৭৫৩
- حَدَّثَنِي يَحْيَى عَنْ مَالِك عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ عَنْ أَبِيهِ أَنَّهُ كَانَ يَقْطَعُ التَّلْبِيَةَ فِي الْعُمْرَةِ إِذَا دَخَلَ الْحَرَمَ ১২৪৪-قَالَ مَالِك فِيمَنْ أَحْرَمَ مِنْ التَّنْعِيمِ إِنَّهُ يَقْطَعُ التَّلْبِيَةَ حِينَ يَرَى الْبَيْتَ ১২৪৫-قَالَ يَحْيَى سُئِلَ مَالِك عَنْ الرَّجُلِ يَعْتَمِرُ مِنْ بَعْضِ الْمَوَاقِيتِ وَهُوَ مِنْ أَهْلِ الْمَدِينَةِ أَوْ غَيْرِهِمْ مَتَى يَقْطَعُ التَّلْبِيَةَ قَالَ أَمَّا الْمُهِلُّ مِنْ الْمَوَاقِيتِ فَإِنَّهُ يَقْطَعُ التَّلْبِيَةَ إِذَا انْتَهَى إِلَى الْحَرَمِ قَالَ وَبَلَغَنِي أَنَّ عَبْدَ اللهِ بْنَ عُمَرَ كَانَ يَصْنَعُ ذَلِكَ.
হিশাম ইবনু উরওয়াহ্ (র) হতে বর্ণিতঃ
হিশাম ইবনু উরওয়াহ্ (র) তাঁর পিতা হতে বর্ণনা করেন তিনি উমরাতে হারাম শরীফে প্রবেশ করার পর ‘লাব্বায়কা’ বলা বন্ধ করতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)মালিক (র) বলেন, ‘তান’য়ীম’ (মক্কার অদূরবর্তী হারাম শরীফ বহির্ভূত একটি স্থান) হতে যে ব্যক্তি উমরায় ইহরাম বাঁধবে, বায়তুল্লাহ্ শরীফ দৃষ্টিগোচর না হওয়া পর্যন্ত সে যেন ‘লাব্বায়কা’ বলা বন্ধ না করে।ইয়াহইয়া (র) বলেন, মালিক (র)-কে জিজ্ঞেস করা হল মক্কার বাহিরে বসবাসকারী ব্যক্তি ‘মীকাত’ হতে উমরার ইহরাম বেঁধে আসলে কখন তাকে ‘লাব্বায়কা’ বলা বন্ধ করতে হবে ? তিনি বললেন, হারাম শরীফে প্রবেশ করার পর সে উহা বন্ধ করে দেবে। আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা)-ও তদ্রূপ করতেন বলে জানা গিয়েছে।
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৭৫৩-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় উমরার তালবিয়া বন্ধ করার সময় নিয়ে কয়েকটি দিক এসেছে। উরওয়াহ (র) উমরার সময় হারাম শরীফে প্রবেশ করলে লাব্বায়কা বলা বন্ধ করতেন। ইমাম মালিক (র) বলেন, তানয়ীম থেকে ইহরাম বাঁধলে বায়তুল্লাহ দেখা পর্যন্ত তালবিয়া চালু রাখবে। আবার মীকাত থেকে উমরার ইহরাম বেঁধে মক্কায় এলে হারাম শরীফে পৌঁছালে লাব্বায়কা বন্ধ করবে। আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা)-ও এমন করতেন বলে জানা গেছে। এখানে মূল শিক্ষা হলো, উমরার তালবিয়া বন্ধ করার সময় ইহরাম কোথা থেকে বাঁধা হয়েছে, তার সঙ্গে যুক্ত। তাই উমরায় তালবিয়া, তানয়ীম থেকে উমরা এবং মীকাত থেকে উমরা—এসব বিষয়ে এই বর্ণনা সরাসরি দিক দেখায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- মীকাত থেকে উমরার ইহরাম হলে হারামে পৌঁছে তালবিয়া বন্ধ করার কথা এসেছে।
- তানয়ীম থেকে ইহরাম হলে বায়তুল্লাহ দেখা পর্যন্ত তালবিয়া চালু রাখার কথা বলা হয়েছে।
- উমরার আমলে ইহরামের স্থান অনুযায়ী কিছু পার্থক্য আছে।
