২০/১৫. অধ্যায়ঃ
হাদ্য়ী-র গলায় কিছু লটকালেই কেউ মুহরিম হয়ে যায় না
মুহরিম কাকে বলে: ইহরাম ও লাব্বায়কার সম্পর্ক
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ৭৪৬
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ৭৪৬
و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ أَنَّهُ قَالَ سَأَلْتُ عَمْرَةَ بِنْتَ عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَنْ الَّذِي يَبْعَثُ بِهَدْيِهِ وَيُقِيمُ هَلْ يَحْرُمُ عَلَيْهِ شَيْءٌ فَأَخْبَرَتْنِي أَنَّهَا سَمِعَتْ عَائِشَةَ تَقُولُ لَا يَحْرُمُ إِلَّا مَنْ أَهَلَّ وَلَبَّى.
ইয়াহ্ইয়া ইবনু সাঈদ (র) হতে বর্ণিতঃ
‘আমরা বিনত আবদুর রহমান (র)-কে জিজ্ঞেস করলাম যদি কেউ মক্কায় হাদয়ী বা কুরবানীর উদ্দেশ্যে পশু প্রেরণ করে কিন্তু নিজে সঙ্গে না যায় তবে তার উপরও কি কোন বিষয় হারাম হবে ?তিনি বললেন, আমি আয়েশা (রা)-এর কাছে শুনেছি, তিনি বলতেন, যে ব্যক্তি ইহরাম বেঁধেছে এবং লাব্বায়কা পাঠ করেছে কেবল তাকেই মুহরিম বলা যায়। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৭৪৬-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় একটি সহজ কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের উত্তর এসেছে। কেউ যদি মক্কায় হাদয়ী বা কুরবানীর পশু পাঠায়, কিন্তু নিজে সঙ্গে না যায়, তাহলে কি তার উপর ইহরামের নিষেধাজ্ঞা আসবে? আমরা বিনত আবদুর রহমান (র)-এর মাধ্যমে আয়েশা (রা)-এর কথা পাওয়া যায়। তিনি বলেন, যে ব্যক্তি ইহরাম বেঁধেছে এবং লাব্বায়কা পাঠ করেছে, কেবল তাকেই মুহরিম বলা যায়। এখানে বিষয়টি খুব স্পষ্ট: শুধু পশু পাঠানো, বা অন্য কোনো বাহ্যিক কাজ, নিজে ইহরাম না বাঁধলে তাকে মুহরিম বানায় না। তাই হাদিসটি মুহরিম হওয়ার শর্ত, ইহরাম বাঁধা এবং তালবিয়া পাঠ—এই তিনটি বিষয়ের সংযোগ সুন্দরভাবে বোঝায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- মুহরিম হওয়ার জন্য ইহরাম বাঁধা ও লাব্বায়কা পাঠের কথা এসেছে।
- শুধু হাদয়ী পাঠানো ইহরামের অবস্থার মতো নয়।
- ইবাদতের পরিচয় বাহ্যিক ধারণা দিয়ে নয়, নির্দিষ্ট আমল দিয়ে বুঝতে হয়।
