২০/১৩. অধ্যায়ঃ
তালবীয়া (লাব্বায়কা) মওকুফ করার সময়
তাওয়াফের সময় তালবিয়া না পড়ার আমল
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ৭৪০
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ৭৪০
و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ ابْنِ شِهَابٍ أَنَّهُ كَانَ يَقُولُ كَانَ عَبْدُ اللهِ بْنُ عُمَرَ لَا يُلَبِّي وَهُوَ يَطُوفُ بِالْبَيْتِ.
ইবনু শিহাব (র) হতে বর্ণিতঃ
তাওয়াফ করার সময় আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (র) ‘লাব্বায়কা’ বলতেন না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৭৪০-এর সারসংক্ষেপ
এই সংক্ষিপ্ত বর্ণনায় বলা হয়েছে, আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) কাবা শরীফ তাওয়াফ করার সময় লাব্বায়কা বলতেন না। এটি আগের বর্ণনার সঙ্গে মিল রাখে, যেখানে তাঁর হারামে পৌঁছে তাওয়াফ ও সাঈ পর্যন্ত তালবিয়া বন্ধ রাখার কথা এসেছে। এই হাদিসে মূল শিক্ষা হলো, হজ ও উমরার যিকর সব সময় একইভাবে চলতে থাকে না; আমলের ধাপ অনুযায়ী যিকরের ধরন বদলাতে পারে। তাওয়াফ নিজেই একটি আলাদা ইবাদত, আর ইবনু উমার (রা)-এর আমলে দেখা যায়, তিনি তাওয়াফের সময় তালবিয়া বন্ধ রাখতেন। তাই হজ-উমরার আমল শেখার সময় শুধু কোন দোয়া পড়তে হবে তা নয়, কখন পড়তে হবে এবং কখন বন্ধ রাখতে হবে—এ বিষয়ও শেখা দরকার।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ইবনু উমার (রা) তাওয়াফের সময় লাব্বায়কা বলতেন না।
- তালবিয়া পাঠের সময় আমলের ধাপ অনুযায়ী বদলাতে পারে।
- তাওয়াফ একটি আলাদা ইবাদত, তাই এর আদব আলাদা করে শেখা দরকার।
- হজ ও উমরায় কখন কোন যিকর পড়তে হবে, তা জানা গুরুত্বপূর্ণ।
