২০/১৩. অধ্যায়ঃ

তালবীয়া (লাব্বায়কা) মওকুফ করার সময়

আরাফাতের পথে আয়েশা (রা)-এর তালবিয়া বন্ধের শিক্ষা

মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ৭৩৮

و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْقَاسِمِ عَنْ أَبِيهِ عَنْ عَائِشَةَ زَوْجِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّهَا كَانَتْ تَتْرُكُ التَّلْبِيَةَ إِذَا رَجَعَتْ إِلَى الْمَوْقِفِ.

বর্ণনাকারী হতে বর্ণিতঃ

নাবী (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর স্ত্রী আয়েশা (রা) যখন আরাফাতের দিকে যাত্রা করতেন, তখন লাব্বায়কা বলা বন্ধ করে দিতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৭৩৮-এর সারসংক্ষেপ

এই বর্ণনায় নবী صلى الله عليه وسلم-এর স্ত্রী আয়েশা (রা)-এর একটি আমল এসেছে। তিনি যখন আরাফাতের দিকে যাত্রা করতেন, তখন লাব্বায়কা বলা বন্ধ করে দিতেন। এটি তালবিয়া বন্ধের সময় নিয়ে সাহাবীদের আমলের আরেকটি দিক তুলে ধরে। আগের বর্ণনায় আলী (রা)-এর আরাফাতের দিন সূর্য হেলার পর তালবিয়া বন্ধের কথা এসেছে; এখানে আয়েশা (রা)-এর আরাফাতের দিকে যাত্রার সময় বন্ধ করার আমল এসেছে। এই হাদিস আমাদের শেখায়, হজ্জের প্রতিটি ধাপে যিকরের ধরন ও সময়ের দিকে সাহাবীরা মনোযোগ দিতেন। তালবিয়া হজের গুরুত্বপূর্ণ যিকর হলেও তা কখন বন্ধ করা হবে, সেটিও আমলের অংশ। তাই হজের নিয়ম শেখার সময় এসব ছোট বর্ণনাকেও অবহেলা করা ঠিক নয়।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • আয়েশা (রা) আরাফাতের দিকে যাত্রা করলে তালবিয়া বন্ধ করতেন।
  • তালবিয়া বন্ধের সময় সাহাবীদের আমলে গুরুত্ব পেয়েছে।
  • হজ্জের ধাপে ধাপে যিকরের পদ্ধতি শেখা দরকার।
  • ছোট বর্ণনাও হজের আমল বোঝাতে সাহায্য করে।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন