১৯/৪. অধ্যায়ঃ
ই’তিকাফ কাযা করা
ই’তিকাফকারীর প্রয়োজনীয় বের হওয়া ও জানাযায় অংশ নেওয়ার সীমা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ৬৮৩
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ৬৮৩
و حَدَّثَنِي زِيَاد عَنْ مَالِك عَنْ ابْنِ شِهَابٍ أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يَذْهَبُ لِحَاجَةِ الْإِنْسَانِ فِي الْبُيُوْتِ ১১৩৩-قَالَ مَالِك لَا يَخْرُجُ الْمُعْتَكِفُ مَعَ جَنَازَةِ أَبَوَيْهِ وَلَا مَعَ غَيْرِهَا.
ইবনু শিহাব (র) হতে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ই’তিকাফের অবস্থায় হাজতে ইনসানীর জন্য গৃহে প্রবেশ করতেন। (এমনটি ইমাম বুখারী বর্ণনা করেছেন ২০২৯, মুসলিম ৭১১, তবে, ইমাম মালিক কর্তৃক বর্ণিত হাদীসটি মুরসাল)মালিক (র) বলেন, ই’তিকাফকারী মাতাপিতার জানাযা এবং তাঁরা ব্যতীত অন্য কারো জানাযায় শরীক হওয়ার জন্য বের হবে না।
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ৬৮৩-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় ই’তিকাফকারীর মসজিদ থেকে বের হওয়ার সীমা বোঝানো হয়েছে। রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم ই’তিকাফ অবস্থায় মানুষের স্বাভাবিক প্রয়োজন পূরণের জন্য ঘরে প্রবেশ করতেন—এ কথা বর্ণনায় এসেছে। এর মাধ্যমে বোঝা যায়, ই’তিকাফ মানে এমনভাবে নিজেকে আটকে রাখা নয় যে জরুরি মানবিক প্রয়োজনও পূরণ করা যাবে না। তবে একই বর্ণনার শেষে ইমাম মালিক (র) বলেন, ই’তিকাফকারী তার মা-বাবার জানাযা বা অন্য কারো জানাযায় অংশ নেওয়ার জন্য বের হবে না। তাই এই হাদিসের মূল শিক্ষা হলো, ই’তিকাফে প্রয়োজন ও ইবাদতের সীমা আলাদা করে বুঝতে হবে। হাজতে ইনসানী বা স্বাভাবিক প্রয়োজনের জন্য বের হওয়া আলাদা, আর অন্য কাজে মসজিদ ছেড়ে বের হওয়া আলাদা। ই’তিকাফের নিয়ম জানতে চাইলে এই ভারসাম্যটি খুব গুরুত্বপূর্ণ।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ই’তিকাফ অবস্থায় স্বাভাবিক প্রয়োজন পূরণের সুযোগ বর্ণনায় এসেছে।
- জানাযায় যাওয়ার জন্য ই’তিকাফকারী বের হবে না—এ কথা ইমাম মালিক (র) উল্লেখ করেছেন।
- ই’তিকাফে মসজিদে অবস্থানের মূল উদ্দেশ্য ধরে রাখা জরুরি।
